২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

ন্ধুকে সংবর্ধনা দিল বন্ধুরা। আরিফুজ্জামান আরিফ পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করায় এ সংবর্ধনা দিলেন ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি॥

 

 

কোটচাঁদপুর হাসপাতাল সড়কের বন্ধুর পাশে বন্ধু কার্যালয়ে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়।আরিফুজ্জমান আরিফ, পিতা- মৃত আসাদুজ্জামান। কোটচাঁদপুর হাসপাতাল পাড়ার বাসিন্দা। ১৯৯৮ সালে আরিফুজ্জামান কোটচাঁদপুর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এস এস সি পাশ করেন। এরপর তিনি এইচ এস সি পরিক্ষায় উর্ত্তীন হন কোটচাঁদপুর কে এম এইচ ডিগ্রী কলেজ থেকে। অনার্স মাস্টার্স করেন জাহাঙ্গীর নগর বিশ^বিদ্যালয়ে। পরে উচ্চ শিক্ষা ও ডিগ্রী লাভের জন্য পাড়ি জমান আমেরিকা। পড়া-লেখা করেন দীর্ঘ ৬ বছর। লাভ করেন পি এজ ডি ডিগ্রী। এরপর আরিফ আর দেশে আসেননি। সম্প্রতি তিনি দেশে এসেছেন। এ কারনে এ সংবর্ধনার আয়োজন করেন বন্ধুর পাশে বন্ধু এ সংগঠনটি। যারা সব ৯৮ সালে পাশ করা এস এস সি ব্যাচের। আরিফ নিজেও ওই ব্যাচের একজন। যার স্থায়ী কার্যালয় কোটচাঁদপুর হাসপাতাল সড়কে। এ সংগঠনটি গেল ২০১৮ সালের দিকে তৈরি করেন ওই সব বন্ধুরা। যা ইতোমধ্যে মানুষের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। তারা পাশে দাঁড়িয়েছেন অনেক অসহায় মানুষের। সামাজিক কাজও করে চলেছেন তারা। এ সংগঠনের অন্যতম সদস্য আরিফুজ্জামান আরিফ। তার উপলক্ষে আয়োজিত হয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের।

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন্ধু সাইদ রহমান, তরিকুল ইসলাম তুহিন, শহিদুল ইসলাম, পবিত্র কুমার, শাফায়েত হোসেন, ওয়াদুদুর রহমান, মাহফুজুল আলম মামুন, সাইফ ইসলাম, গোলাম কিবরিয়া বিপ্লব, কল্লোল রহমান, দেবাশীষ, জিতু রহমান, জিয়াউল ইসলাম ও ইউনুচ আলী। পরে ওই বন্ধুকে ক্রেষ্ট তুলে দেন বন্ধুরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি