২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

তাড়াশে লকডাউন মানাতে ১৪তম দিনেও প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

এইচ এম আব্দুল্লাহ আল মাহবুব ,তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

মহামারি করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ১৪ দিনের ‘কঠোর’ বিধিনিষেধের (১৪) চৌদ্দতম দিনে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিধিনিষেধ মানাতে কঠোর উপজেলা প্রশাসন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের ১টি মোবাইল টিম কাজ করছেন মাঠে। তাদের সার্বিক সহায়তা করছে পুলিশ ও বিজিবি।

 

বৃহস্পতিবার (৫আগস্ট ) সকাল থেকে কঠোর বিধিনিষেধ মানাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোছা. রুমানা আফরোজ মাঠে নেমেছেন। প্রশাসনের অভিযানের খবর পেয়ে মুহূর্তের মধ্যে পৌর শহরের বাজার ও রাস্তাঘাট ফাকা ও জনশুণ্য হয়ে পড়ে।

 

এদিকে ভ্রাম্যমান আদালত লকডাউন বাস্তবায়নে অভিযান চলাকালে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দোকান পাট খোলা রাখা এবং মাস্ক ব্যবহার না করায় ৭ টি মামলায় ৫৪০০/- টাকা অর্থ দন্ড প্রদান করে।

 

পরে হ্যান্ড মাইক হাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুমানা আফরোজ সবাইকে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে, মুখে মাক্স পড়তে এবং কাজ সেরে দ্রুত বাড়িতে ফিরে যেতে বলেন।তিনি আরো বলেন, আমি এখানে থাকতে আসিনি আপনারাই এই এলাকায় বসবাস করবেন। তাই ভালমন্দ নিয়ে নিজেকেই ভাবতে হবে। আমি যদি আমার বাহিনী নিয়ে তাড়া দেই তাহলে সকলেই দৌড়ে পালাবেন ।তাই নিজ থেকেই সবাই চলে যান।

উপজেলা প্রশাসনকে পুলিশ ও বিজিবি সার্বিক সহযোগীতা করছেন।

 

তাড়াশ বাজার কমিটির সাবেক সেক্রেটারি বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ রাজ্জাক বলেন, তাড়াশ উপজেলা প্রশাসনের উদ্দোগ খুবই প্রশংসনীয়। তারা স্বাস্থ্যবিধি ও বিধিনিষেধ মানাতে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন।

 

এ সময় তিনিও সকলকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহবান জানান এবং যারা কাজ ছাড়া অযথা ঘোরাঘুরি করছেন তারা দ্রুত বাসায় ফিরে যান।

 

তাড়াশ উপজেলা ভূমি অফিসার রুমানা আফরোজ জানান, কঠোর বিধিনিষেধ মানাতে মাঠে রয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন, মাস্ক পড়ুন, নিজে ও নিজের পরিবারকে সুরক্ষা রাখুন।

 

এ সময় সরকারী বিধিনিষেধ মেনে চলার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি