১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

ডুমুরিয়ার ৫ গরু ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে ১৫টি চোরাই গরু উদ্ধার, আটক-১।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

সরদার বাদশা ,নিজস্ব প্রতিনিধি ।

 

 

খুলনার ডুমুরিয়া হতে ১৫টি চোরাই গরুসহ রুবেল গাজী নামে এক গরু ব্যবসায়ী আটক করা হয়েছে। আজ রোববার(৩১অক্টোবর) উপজেলার সাজিয়াড়া-খলশী এলাকা হতে ঝিনেদা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডুমুরিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় গরুগুলো উদ্ধারসহ তাকে আটক করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ অক্টোবর তারিখে ঝিনেদা জেলার সদর থানা এলাকা হতে জনৈক গঞ্জের আলী নামক এক ব্যক্তির কয়েকটি গরু চুরি হয়ে যায়। ওই ঘটনায় তিনি অজ্ঞাত নামা চোরদের আসামী করে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার তদন্তকালে পুলিশ এলাকার ২জন সন্দেহ ভাজন চোরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারেন তারা চোরাই গরু বাগেরহাট ও খুলনার ডুমুরিয়া থানা এলাকার কয়েক জন গরু ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেছেন। ধৃত দুই চোরকে সাথে নিয়ে ঝিনেদা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার,এসআই সুজাত আহম্মেদ সংগীয় ফোর্স নিয়ে আজ দুপুরে ডুমুরিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় খলশী গ্রামের গরু ব্যবসায়ী রুবেল গাজীর বাড়ি থেকে ২টি চোরাই গরু উদ্ধারসহ তাকে আটক করে। এ সময় রুবেল গাজীর বাড়িতে থাকা আরো ২৯টি গরু উদ্ধার করে স্হানীয় ইউপি সদস্যের শেখ ইকবাল হোসেনের জিম্মায় রাখা হয়।

পরবর্তিতে একই এলাকাট গরু ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ৫টি, আবু সাঈদ শেখের বাড়ি থেকে ২টি, ইউনুস গাজীর বাড়ি থেকে ৪টি ও মীর ফারুক এর বাড়ি থেকে ২টি মোট ১৫টি চোরাই গরু উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও গরু ব্যবসায়ী ৪ জনকে আটক করতে সক্ষম হননি। অভিযানে নেতৃত্ব দেয়া পুলিশ কর্মকর্তারা মামলার তদন্তের স্বার্থে আপাতত কোন তথ্য দিতে রাজি হননি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।