১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ছাতকে যুবতীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও হামলার ঘটনায় দায়েরী মামলার বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি।। 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ছাতক প্রতিনিধিঃ

ছাতকে নোয়ারাই ইউনিয়নের বেতুরা-আছদনগর গ্রামে এক যুবতীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও তার পরিবারের উপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করায় একই গ্রামের হামলাকারী আব্দুর রহিমের ভাই আব্দুল মতলিব, রাজাকার আকবর আলী, রাজাকার আছদ্দর আলী, রাজাকার পুত্র মাসুক মিয়া সহ লোকজন মামলার বাদী মনোয়ারা বেগমকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছেন। মামলা তুলে না নিলে তারা মনোয়ারা বেগমকে হত্যা করে লাশ সুরমা নদীতে ভাসিয়ে দিবে বলে হুমকি দিয়েছে। গত ৮মে শনিবার রাতে বেতুরা-আছদনগর গ্রামের মনোয়ারা বেগমের বসতঘর পুরুষশুন্য থাকায় একই গ্রামের জুনায়েদ আহমদ রুবেল বসত ঘরে ঢুকে তার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এসময় মনোয়ারা বেগম সহ আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে তাকে আটক করে। বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনার পর জুনায়েদ আহমদ রুবেলের ভাই সহ স্বজনরা মনোয়ারা বেগমের বসতঘরে হামলা চালিয়ে জুনায়েদ আহমদ রুবেলকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ছাতক থানায় মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে রুবেল সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা (নং-২৭,তাং-২৪মে/২১) দায়ের করেন। ওই মামলার এজাহার ভুক্ত আসামী আব্দুর রহিমকে ৪ জুলাই পুলিশ গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। আব্দুর রহিম গ্রামের মৃত মনোহর আলীর পুত্র। ওই মামলার প্রধান আসামী জুনায়েদ আহমদ রুবেলকে পুলিশ এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি। জুনায়েদ আহমদ রুবেল, নাজমুল হোসেন, নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে পলাতক রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ বিভাগের মামলা সহ আরো একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। মামলার বাদী ভিকটিম শ্যামা আক্তারের মা মনোয়ারা বেগম জানান, তার মেয়ের উপর নির্যাতন করা হয়েছে। ঘর-বাড়িতে হামলা করেছে আসামীরা। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেছেন তিনি। মামলার প্রধান আসামী এখনো গ্রেফতার হয়নি। আসামী আব্দুর রহিম গ্রেফতারের পর থেকেই আব্দুর রহিমের পরিবার ও অনুসারীরা তাকে নানাভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছে। মামলা তুলে না নিলে তারা তাকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছে। তার ও তার মেয়ের মানসম্মান নষ্ট করার জন্য আব্দুল মতলিব ও আকবর আলী রাজাকারের নেতৃত্বে সংবাদ সম্মেলনের নামে এক প্রতারককে দিয়ে ফেইসবুকে লাইভে এসে ভিডিও পোস্ট করেছে। একাধিক মেয়ে কেলেংকারীর ঘটনায় জড়িত আব্দুর রহিম ও আব্দুল মতলিবের পরিবার। নিজের দোষ ঢাকতে গিয়ে তারা অপরের নিন্দা করছে। কয়দিন পরপর ভূইফোড় সাংবাদিক নামধারী একজনকে এনে ফেইসবুক লাইভে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে গ্রামবাসীর মানসম্মান ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। ছাতক থানার এস আই আতিকুর রহমান খন্দকার জানান, এ মামলার অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।##

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি