২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

খুলনায় মন্দির ও বাড়ী ভাংচুরের ঘটনায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর পরিদর্শন ও চেক বিতরন।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

খুলনা প্রতিনিধি।

 

খুলনা জেলার রূপসা উপজেলায় শিয়ালী গ্রামে গত ৭ আগষ্ট সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির, বাড়িঘর, দোকানপাট ভাংচুর ঘটনায় আজ ১৯ আগষ্ট শিয়ালী গ্রাম পরিদর্শন করেন, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান। তিনি সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় উদ্যেশে বলেন, বঙ্গবন্ধু যখন এদেশ স্বাধীন করেন আপনাদের আমাদের সকলের রক্তের বিনিময়ে এদেশ স্বাধীন করে স্বাধীকার আদায় করেছিলেন। আজ বঙ্গ বন্ধুর স্বাধীন দেশে যদি কোন বেক্তি নির্যাতিত হন সেটা অনেক দুঃখ জনক, কষ্টের এবং লজ্জার বিষয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা যিনি আজ দেশ পরিচালনা করছেন মানবতার মা আপনাদের মা, প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার উনি সকল সময় আপনাদের কথা চিন্তা করে। আপনাদের কথা চিন্তা করেই আমাকে আপনাদের কাছে পাঠিয়েছেন।

আজ আপনাদের এলাকাতে কিছু দুস্কৃতকারি সন্ত্রাসী জঙ্গী অপরাধকারি মন্দির বাড়ী ঘর ভেঙ্গেছে তারা যে দলের হোক না কেন? তাদের কে আমরা দল হিসাবে চিহ্নিত করবো না। তাদের কে আমরা চিহ্নিত করবো দুস্কৃতিকারি অপরাধী হিসাবে। এই সকল লোকদের জন্য সরকারের সুনিদৃষ্ট চিন্তা তাদের কে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যাবস্থা করা। ইতি মধ্যে এদের কে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ধরা ও পড়েছে এই বিষয়ে আপনারা অবগত আছেন। এদের শাস্তির আওতায় আনতে জেলা প্রশাসন , পুলিশ বাহিনী , র‍্যাব নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। এই জন্য সরকারের পক্ষ থেকে তাদের কে ধন্যবাদ জানাই। আমরা প্রশাসন কে নির্দেশ দিয়েছি আপনারা লক্ষ রাখবেন অন্যায় ভাবে যেন কেহ হয়রানির স্বীকার না হয়। আমরা চাই প্রকৃত দোষী বেক্তি সনাক্ত করে তাদের কে বিচারের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করতে।

পরিদর্শন শেষে ক্ষতি গ্রস্থদের নিয়ে আলোচনা সভা ও চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ক্ষতিগ্রস্থ প্রত্যেক পরিবার কে নগদ দশ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়। আলোচনা সভা ও চেক প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন

বাংলাদেশ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্ট এর সিনিয়র সহ-সভাপতি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী বাবু নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (এমপি), সাংসদ মনোরঞ্জন শীল গোপাল, সাংসদ আব্দুস সালাম মুর্শিদী, সাংসদ আক্তারুজ্জামান বাবু, বাংলাদেশ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের সহসভাপতি সুব্রত পাল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারী,যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরিদ আহমেদ,রূপসা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, ডুমুরিয়া উপজেলা শাখার আহবায়ক বাবু নির্মল চন্দ্র বৈরাগী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।