১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

একাত্তরের পরাজিত সৈনিকেরা বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত-পলক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শহিদুল ইসলাম সুইট, সিংড়া(নাটোর)প্রতিনিধ­িঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এড. জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, বাঙ্গালী জাতি ও বিশ্বের ইতিহাসের একটি কলঙ্কতম দিন ১৫ই আগষ্ট। আজকের এই দিনে ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছিল। ৭১ এর পরাজিত সৈনিক, ৭৫ এর ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে। তিনি সারাজীবন জনগণের জন্য কাজ করেছেন, ২৪ বছর সংগ্রাম করেছেন বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে উপহার দেয়ার জন্য। বঙ্গবন্ধু আর ১০ দশ বছর বেঁচে থাকলে দেশ আরো উন্নত হতো। বিদেশে বঙ্গবন্ধুর যে খুনিরা লুকিয়ে আছে, তাদেরকে দেশে এনে বিচার কার্যকর করার আহ্বান জানাচ্ছি। সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সরকারি কর্মকর্তাদের পাশে সবসময় ছিলেন, জনগণের টাকায় আমাদের, আপনাদের বেতন হয়। তারা যেন প্রকৃত সেবা পায়। স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর জীবন ও মহান কীর্তি সম্পর্কে আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন তিনি।

 

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। দারিদ্রতাকে হার মানিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উচু করে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে ঘাতকদের হাতে খুন হোন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির জন্য ডাক দিয়েছিলেন। ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। তিনি একজন সফল প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশ হিসেবে পরিণত করেছেন। ১২ বছরে জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে, ডিজিটাল দেশ হিসেবে পরিণত করেছেন। বিশ্বের ইতিহাসে কারবালার সেই ঘটনা আর বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘটনা আমাদের জন্য কালো অধ্যায়। বঙ্গবন্ধুর নাম আজ মহাকাশে স্থাপিত হয়েছে। তিনি দেশের দুখী মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। খুনি জিয়াউর রহমান, খন্দকার মোশতাকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে সংসদে আইন পাশের মাধ্যমে বিচার বন্ধ রেখেছিল। তারা খুনিদের বিচার না করে বিভিন্নভাবে পুরষ্কৃত করেছে। বিদেশে হত্যাকারীরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। দেশের উন্নয়ন রোধে এখনো যারা তৎপর আছে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

 

রবিবার (১৫ আগষ্ট) সকাল ১০ টায় উপজেলা পরিষদের চলনবিল সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম সামিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিক, পৌর মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. ওহিদুর রহমান শেখ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল হাসান, শামীমা হক, সিংড়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার জামিল আকতার, সহকারি কমিশনার (ভূমি) রকিবুল হাসান, সিংড়া থানার ওসি নূর-এ-আলম সিদ্দিকী, উপজেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল ওদুদ দুদু প্রমূখ। পরে তারা কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পথচারীদের মাঝে গাছ বিতরণ করেন।

 

পরে সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এড. জুনাইদ আহমে পলক এমপি। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. ওহিদুর রহমান শেখ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কামরুল হাসান, শামীমা হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নবীর উদ্দিন, আব্দুল ওয়াদুদ মোল্লা। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সরফরাজ নেওয়াজ বাবু, পৌর আ’লীগের সহ-সভাপতি মাহাবুব আলম বাবু, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম, পৌর যুবলীগের সভাপতি সোহেল তালুকদার, জেলা পরিষদের সদস্য সালাহউদ্দিন আল আজাদ, সাজ্জাদ হোসেন, ছাত্রলীগের সভাপতি খালিদ হাসান, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক, সিংড়া জিএ কলেজের ভিপি সজিব ইসলাম জুয়েল, পৌরসভার প্যানেল মেয়র সঞ্জয় সাহা প্রমুখ। পরে তারা প্রায় আড়াই হাজার পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক