1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রূপসা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার। কেশবপুরে মাদ্রাসার পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগের নামে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ। ডুমুরিয়ায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে, যুবক নিহত। ডুমুরিয়ার চুকনগরে অসহনীয় যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে ‘নিরাপদ খুলনা চাই’ সংগঠন এর মানববন্ধন। এ্যাড.দীপেন দেওয়ান  পদত্যাগে বিলাইছড়ি বিএনপি’র প্রতিবাদ । কেশবপুর উপজেলার ফয়েজউদ্দিন গাজী ১২ দিন ধরে নিখোঁজ। খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন কয়রার সেরাজুল ইসলাম সবুজ । জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন সুরক্ষায় সব ধরনের বনজীবী ও পর্যটকদের ৩ মাস সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ। কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও দৈনিক বাংলার প্রত্যয় পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি পরেশ দেবনাথের জন্মদিনে শুভেচ্ছা। সমন্বয় করতে গিয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।

দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন হতে চায় কয়রার জিন্নাত।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শনিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১৪৬ বার পঠিত

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ
খুলনার কয়রা উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের মেয়ে জিন্নাত ফাতিমা মিম আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন হতে চায়।

আন্তঃ প্রাথমিক পর্যায়ে ২০১৮ সালে দৌড় প্রতিযোগীতায় জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে স্কুল পর্যায়ে সেরা দৌড়বিদের পুরস্কার গ্রহণ করে জিন্নাত। ছোট বেলা স্কুলে দৌড়ে সবার আগে যেত আবার ছুটি হলেও এক দৌড়ে সবার আগে বাড়ি পৌঁছে যেত। এভাবেই প্রাথমিক পর্যায়ে খেলাধুলায়ও সবসময়ই প্রথম হওয়া সেই মেয়েটি জাতীয় পর্যায়ে দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এলাকার বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় সে দৌড়ে বারবার প্রথম হয়েছে। খুলনার সুন্দরবন সংলগ্ন কয়রা উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের ক্ষুদ্র কাঁচামাল ব্যাবসায়ী মোঃ মফিজুল ইসলাম মোল্লার মেয়ে জিন্নাত ফাতেমা আক্তার মিম। মা আয়শা খাতুন গৃহিণী। সে পিতা-মাতার ৬ সন্তানের সকলের মধ্যে ছোট। জিন্নাত লেখাপড়ার প্রাথমিক পর্ব শেষ করে ইসলামপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। তারপর আমাদী জায়গীর মহল তকিম উদ্দীন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। সে বর্তমানে নবম শ্রেণীর ছাত্রী। অভাবের সংসারে জিন্নাত এখনো দৌড়ানোটা ধরে রেখেছে। মাধ্যমিক পর্যায়েও দৌড়ে আঞ্চলিক পর্যায়ে রানার্সআপ হয়। ছোটবেলা হতে স্বপ্ন দেখত উসেইন বোল্টের মত দৌড়বিদ হয়ে অলিম্পিকে অংশ নিয়ে দেশের জন্য স্বর্ণপদক জিতে আনবে। তাই পড়াশুনার পাশাপাশি দৌড়ানোটা ধরে রেখেছে। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে গ্রামের রাস্তায় দৌড়ায়। গ্রামের রাস্তায় তার দৌড়ানোর প্র্যাকটিস এলাকার লোকজন স্বাভাবিক ভাবে না নিলেও তার মা ও পরিবারের অন্যদের সহযোগীতায় সে স্বপ্ন দেখে একদিন চ্যাম্পিয়ন হবেই। সেই সঙ্গে বিদ্যালয়ে ছুটির পরে দৌড় প্রতিযোগীতার সব কলাকৌশল রপ্ত করার প্র্যাকটিস করতে থাকে। স্বপ্নপূরণে সে খুলনায় বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করে, প্রথমবার এক সপ্তাহের জন্য ঢাকাতে ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার সুযোগ পায় কিন্তু দুইবার অংশ নিয়েও তাকে বিকেএসপিতে নেওয়া হয়নি। জিন্নাতের ভাষায় তার থেকে কম উচ্চতায় বিকেএসপিতে নেওয়া হয়েছে অথচ তার উচ্চতা ৪ ফিট ১১ ইঞ্চি হওয়ার পরও তাকে নেওয়া হয়নি। বারবার স্বপ্ন পূরণ করতে প্রতিবার লক্ষ্যে পৌছে জয়ী হতে পারছে না মেধাবী জিন্নাত। দৌড়বিদ জিন্নাত ফাতিমা মিম ২০১৮ সালে আন্ত:প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতায় জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন, ৪৯তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরী শিক্ষা শীতকালীন পর্যায়ে খুলনা জেলা চ্যাম্পিয়ন এবং ২০২০ সালে উপআঞ্চলিক স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরী ক্রীড়া সমিতির প্রতিযোগীতায় অসুস্থ থাকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে। 
এবিষয়ে জানতে চাইলে জিন্নাত ফাতিমা আক্তার মিম বলে, জাতীয় পর্যায় ও সব জায়গায় ভাল ফলাফল হওয়া স্বত্ত্বেও আমি বিকেএসপিতে চান্স পাচ্ছিনে। গরীব ঘরের সন্তান হওয়ায় ও যোগাযোগ না থাকায় আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে উচ্চতা কম হওয়ার অভিযোগে। বিকেএসপিতে খেলার সুযোগ পেলে আমি দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন হতে পারবো, অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করে স্বর্ণ পদক অর্জন করতে চাই। আমি দৌড়াতে চাই এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আমার স্বপ্ন পূরণ করে দেশের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই। 

কয়রা, খুলনা প্রতিনিধি
তারিখ : ১৪/০১/২৩ ইং।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT