1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জে ভূমি কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বাঁশের খুঁটি স্থাপনের অভিযোগ। কেশবপুরে সাংবাদিক রাজিব চৌধুরীর স্ত্রী সুচিত্রা মালাকর এর পরলোকগমন। খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শণ। শ্যামনগরের দ্বীপ ইউপি গাবুরায় মেগা প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। বিজয় দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব -২০২৬। বিলাইছড়িতে রাইংখ্যং নদীতে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদীতে প্রতিমা বিসর্জনে মিলনমেলা। কেশবপুরে বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান মল্লিকের ৮ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন। ‎ কয়রায় জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন। দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস।

কলকাতা পুলিশ হারিয়ে যাওয়া মেয়েকে তার বাবার কাছে ফিরিয়ে দিলেন।।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৪২ বার পঠিত

কোলকাতা থেকে মনোয়ার ইমাম।

পশ্চিম বাংলার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বারুইপুর জেলা পুলিশের অধীনে মল্লিকপুর এলাকার বাসিন্দা এক ইস্কুল ছাত্রী তিনি তার বাবার সাথে কলকাতার বই পাড়া কলেজ স্ট্রিট তে যান বই কেনাকাটা করতে। হঠাৎ করে তার বাবার কাছ থেকে তিনি ভীড়ের মধ্যে আলাদা হয়ে পড়ে। তার বাবা তার মেয়েকে দেখতে না পেয়ে চিহ্নিত হয়ে পড়ে। এমন সময় তিনি বড়বাজার থানাতে গিয়ে সব খুলে বলেন, তখন বড়বাজার থানার ডিউটিরত ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট শ্রী সুদিপ কুমার তিনি সব ট্রাফিক পুলিশ কে মেয়ে হারিয়ে যাওয়ার ম্যাসেজ দেন। এবং মেয়েটির বাবাকে আশস্ত করেন যে তার মেয়েকে ফিরে পেতে সব ধরনের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। এবং মেয়েটির বাবাকে চা ও জলের বোতল দেওয়া হয়। এবং তার মেয়ে যে লাল প্রিন্টের জামা কাপড় পরে ছিল তা জানিয়ে দেওয়া হয় সব ট্রাফিক পুলিশ কে। কিছুক্ষণ পর ঔ মেয়েকে দেখতে পাওয়া যায় হাওড়া ব্রিজের কাছে ঘরাঘুরি করতে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় হাওড়া ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট শ্রী সুদিপ কুমার কে তিনি গিয়ে ঔ মেয়েকে উদ্ধার করে নিয়ে তার বাবার কাছে পৌঁছে দেন। তার বাবাকে কাছে পেয়ে আনন্দে তার দুই চোখে জল এসে যায়। কারণ তার মেয়ের কাছে কলকাতা শহর ছিল অচেনা ও অজানা। এই মানবিক কাজ করার জন্য মেয়েটির বাবা কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ সার্জেন্ট শ্রী সুদিপ কুমার ও কলকাতা পুলিশ কে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT