1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
ঢাকার কড়াইল বস্তিতে হবে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন। বিলাইছড়িতে  ইউএনও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। খুলনার দিঘলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা আহত -৩। খুলনা নগরীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে জরিমানা আদায়। বাতকস কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মন্ত্রী এ্যাড.দীপেন দেওয়ান। খুলনায় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর অবৈধ সিগারেটের প্রচারণা। শ্যামনগর মুন্সিগঞ্জ জেলেখালী নাটক বৈরাগী বাড়ির বায়োস্কোপ মঞ্চস্থ। রক্তাক্ত খুলনা! নগর জুড়ে এখন আতঙ্ক। খুলনার বটিয়াঘাটায় তক্ষক সহ আটক -১। খুমেক হাসপাতালে নিয়োগ নিয়ে তুলকালাম।

ধামইরহাটের মেধাবী ছাত্র আনারুলের হাতের ২ টি আংগুল কেটে দিয়েছে কলেজের বড় ভাইয়েরা।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩২৫ বার পঠিত

সন্তোষ কুমার সাহা, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ-

ধামইরহাটের মেধাবী ছাত্র আনারুলের হাতের ২ টি আংগুল কেটে দিয়েছে কলেজের বড় ভাইয়েরা। জানাগেছে, আনারুল ২০১৭ সালে ধামইরহাট উপজেলা সদরস্থ সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ -৫ পেয়ে এসএসসি পাস করে। পরে বগুড়া পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট এ ভর্তি হন। বর্তমানে সে ৫ম সেমিস্টারে অধ্যায়নরত। মেসে থেকে পড়তে হলেও দিতে হবে চাঁদা এমন দাবি না মানায় ডান হাতের দুই টি আংগুল কেটে দিয়েছে ছাত্র নামধারী কিছু সন্ত্রাসীরা। গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ৯ টায় একই কলেজের ২ জন বড় ভাই

আনারুল (২২) পিতা নজরুল ইসলাম সাং চকউমর পাটারী পাড়া থানা ধামইরহাট,জেলা নওগাঁ। এর মেসের রুমে ঢুকে প্রথমে মূখে কাপড় গুজে দিয়ে একটি ওয়াশ রুমে নিয়ে হাত পিঠমোড়া করে প্লাস দিয়ে ডান হাতের ২ টি আংগুল কেটে দিয়েছে। পরে তাকে অনেকটা গোপনে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে সে গ্রামের বাড়ীতে রয়েছে।

তার মা সাহারা খাতুন জানান, আমি খুব গরীব মানুষ। চেয়ে এনে ছেলেকে লেখা পড়া করাচ্ছি। সেখানে সন্ত্রাসীরা আমার কলেজ পড়ুয়া ছেলের হাত কেটে দিয়েছে আমি এর কঠোর বিচার চাই। এত বড় ঘটনার পরও কলেজ কর্তৃপক্ষ ও বগুড়া সদর থানা কি ভূমিকা পালন করেছেন? এমন প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। আনারুলের বাড়ীতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সে একটি ছোট বেড়ার ঘরে শুয়ে রয়েছে। জ্বানালা নেই। বাড়ীতে খাবার নেই। চিকিৎসাও ঠিক মত হচ্ছে না। প্রথমে কথা বলতে চায়নি। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে বললো আমার জীবনতো শেষ। আপনি পারলে স্থানীয় সমাজ সেবা অফিসে বলে একটা প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দিলে ভালো হয় কারণ আমি অনেক গরীব।

ভিকটিমকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ায় মূখ খুলছেন না বলে তার মা জানান।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT