1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরে ২৩ বছরেও যুবদলের কমিটি নেইঃ তৃণমূলে হতাশা। বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাই কমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। গহনা ছিনতাইকালে দুর্বৃত্তের ইটের আঘাতে নারী নিহত। পাইকগাছায় ছোট ভাইয়ের ধাক্কায় বড় ভাই নিহত। শিরখাড়ায় মাদক ও বালুদস্যু নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ এলাকাবাসী; কঠোর হুঁশিয়ারি। প্রেসক্লাবে ঢুকে সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ। খুলনায় পিস্তল ও গুলিসহ দু’জন আটক। শ্যামনগরে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দল হরিনগর ও পূর্ব মীরগাং সরকারি বিদ্যালয়। কয়রার মহারাজপুর ইউনিয়নের বিএনপির একক প্রার্থী হতে চান ‘ক্লিন ইমেজের’ নেতা শরিফুল। নড়াইলে বৈশাখী অনুষ্ঠানে আলোচনা উপস্থাপন।

ধামইরহাটের মেধাবী ছাত্র আনারুলের হাতের ২ টি আংগুল কেটে দিয়েছে কলেজের বড় ভাইয়েরা।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৩৮ বার পঠিত

সন্তোষ কুমার সাহা, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ-

ধামইরহাটের মেধাবী ছাত্র আনারুলের হাতের ২ টি আংগুল কেটে দিয়েছে কলেজের বড় ভাইয়েরা। জানাগেছে, আনারুল ২০১৭ সালে ধামইরহাট উপজেলা সদরস্থ সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জিপিএ -৫ পেয়ে এসএসসি পাস করে। পরে বগুড়া পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট এ ভর্তি হন। বর্তমানে সে ৫ম সেমিস্টারে অধ্যায়নরত। মেসে থেকে পড়তে হলেও দিতে হবে চাঁদা এমন দাবি না মানায় ডান হাতের দুই টি আংগুল কেটে দিয়েছে ছাত্র নামধারী কিছু সন্ত্রাসীরা। গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ৯ টায় একই কলেজের ২ জন বড় ভাই

আনারুল (২২) পিতা নজরুল ইসলাম সাং চকউমর পাটারী পাড়া থানা ধামইরহাট,জেলা নওগাঁ। এর মেসের রুমে ঢুকে প্রথমে মূখে কাপড় গুজে দিয়ে একটি ওয়াশ রুমে নিয়ে হাত পিঠমোড়া করে প্লাস দিয়ে ডান হাতের ২ টি আংগুল কেটে দিয়েছে। পরে তাকে অনেকটা গোপনে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে সে গ্রামের বাড়ীতে রয়েছে।

তার মা সাহারা খাতুন জানান, আমি খুব গরীব মানুষ। চেয়ে এনে ছেলেকে লেখা পড়া করাচ্ছি। সেখানে সন্ত্রাসীরা আমার কলেজ পড়ুয়া ছেলের হাত কেটে দিয়েছে আমি এর কঠোর বিচার চাই। এত বড় ঘটনার পরও কলেজ কর্তৃপক্ষ ও বগুড়া সদর থানা কি ভূমিকা পালন করেছেন? এমন প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। আনারুলের বাড়ীতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সে একটি ছোট বেড়ার ঘরে শুয়ে রয়েছে। জ্বানালা নেই। বাড়ীতে খাবার নেই। চিকিৎসাও ঠিক মত হচ্ছে না। প্রথমে কথা বলতে চায়নি। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে বললো আমার জীবনতো শেষ। আপনি পারলে স্থানীয় সমাজ সেবা অফিসে বলে একটা প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দিলে ভালো হয় কারণ আমি অনেক গরীব।

ভিকটিমকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়ায় মূখ খুলছেন না বলে তার মা জানান।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT