1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিলাইছড়িতে সিআর মামলার আসামী আটক । শ্যামনগরের স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবককে স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকরণ বিতরণ। রূপসা নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার। কেশবপুরে মাদ্রাসার পরিচ্ছন্নতা কর্মী নিয়োগের নামে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ। ডুমুরিয়ায় বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে, যুবক নিহত। ডুমুরিয়ার চুকনগরে অসহনীয় যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে ‘নিরাপদ খুলনা চাই’ সংগঠন এর মানববন্ধন। এ্যাড.দীপেন দেওয়ান  পদত্যাগে বিলাইছড়ি বিএনপি’র প্রতিবাদ । কেশবপুর উপজেলার ফয়েজউদ্দিন গাজী ১২ দিন ধরে নিখোঁজ। খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন কয়রার সেরাজুল ইসলাম সবুজ । জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন সুরক্ষায় সব ধরনের বনজীবী ও পর্যটকদের ৩ মাস সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ।

ভারতের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বেশি ঘটে পুলিশ হেফাজতে, এমন মন্তব্য করলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি শ্রী এন ভি রামান্না।।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১
  • ১৮৯ বার পঠিত

কোলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।

আজ ভারতের ন্যাশনাল লিগ্যাল সার্ভিসের একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি শ্রী এন ভি রামান্না বলেন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের পুলিশ থানা গুলিতে সবচেয়ে বেশি মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো ঘটনা ঘটে। সেখানে দেখা যায় পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন অনেক সময় নিরপরাধ মানুষের উপর থার্ড ড্রিগ্রী প্রয়োগ করে হয়েছে। কারণ হিসেবে দেখা গেছে সেই সব নিরপরাধ মানুষের কাছে পুলিশের পক্ষ থেকে টাকা ও পয়সা চাওয়া হয়েছে কেস কে হাল্কা করে দেবার জন্য। যারা টাকা পয়সা দিতে পারেন না তাদের উপর চলে শারীরিক ও মানষিক অত্যাচার। অনেক সময় দেখা যায় পুলিশ কে সাধারণ মানুষের রক্ষক হিসেবে দেখা যায়। কিন্তু তার পরিবর্তে যদি পুলিশ টাকা পয়সা নেবার জন্য ভক্ষকের ভূমিকা পালন করেন তাতে পুলিশের যে সামাজিক ভূমিকা থাকে তা তাদের থাকে না অর্থ সামাজিক কারনে। অনেক সময় দেখা যায় সাধারণ মানুষ যখন বিপদে পড়ে পুলিশ থানা তে যায় তখন কিছু পুলিশ অফিসার তাদের সাথে অর্থ সামাজিক চুক্তি করে আবেদন কারীর সাহায্য করে। সেই সাথে অনেক সময় নিরপরাধ মানুষের উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং ভয় দেখিয়ে টাকা পয়সা নেবার ঘটনা ঘটেছে। এবং পুলিশ সাধারণ মানুষের সাহায্য না করে বহু ক্ষেত্রে অসামাজিক ক্ষেত্র থেকে টাকা পয়সা তুলতে থাকে। যেমন মদ, গাজা কালোবাজারি এবং বেআইনি নির্মাণ এবং বেআইনি পার্কিং ও বেআইনি পরিবহনের কাজ থেকে দৈনিক ও মাসিক টাকা পয়সা তুলছে। যায় জন্য সমাজ আজ নিচের দিকে নামছে। এর পরিবর্তন হওয়া উচিত বলে মনে করেন। ভারতের প্রধান বিচারপতি শ্রী এন ভি রামান্না বলেন আমার মনে হয় এবার থেকে প্রতিটি থানা তে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার বন্ধ করতে এবং সাধারণ মানুষের উপর শারীরিক ও মানষিক অত্যাচার বন্ধ করতে একটি করে ভারতের লিগ্যাল সার্ভিসের বোর্ড দেওয়া দরকার। সাধারণত মানুষ তা দেখে লিগ্যাল সার্ভিসের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। যদি সাধারণ মানুষের পাশে ভারতের লিগ্যাল সার্ভিসের সদস্যরা থাকেন তাহলে সাধারণ গরীব লোকদের সঠিক ভাবে আইনি সহায়তা প্রদান পাবেন বলে মনে করেন ভারতের প্রধান বিচারপতি শ্রী এন ভি রামান্না।।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT