1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জে ভূমি কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে বিরোধপূর্ণ জমিতে বাঁশের খুঁটি স্থাপনের অভিযোগ। কেশবপুরে সাংবাদিক রাজিব চৌধুরীর স্ত্রী সুচিত্রা মালাকর এর পরলোকগমন। খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের পূজা মণ্ডপ পরিদর্শণ। শ্যামনগরের দ্বীপ ইউপি গাবুরায় মেগা প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। বিজয় দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব -২০২৬। বিলাইছড়িতে রাইংখ্যং নদীতে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদীতে প্রতিমা বিসর্জনে মিলনমেলা। কেশবপুরে বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান মল্লিকের ৮ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন। ‎ কয়রায় জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন। দুর্গাপূজার মণ্ডপে মণ্ডপে এমপি মিলন, দিলেন পাশে থাকার আশ্বাস।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে টানা বর্ষণে কৃষকদের মধ্যে হতাশা, খাল খননের দাবি ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২০১ বার পঠিত

 

 

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধিঃ

 

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা জুড়ে লাগামহীন বর্ষণের কারণে কৃষকের স্বপ্ন সব ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। টানা দুই দিনের ভারী বৃষ্টিতে কোটচাঁদপুর ও পার্শ্ববর্তী উপজেলাতে বৃষ্টির পানিতে মাঠকে মাঠ পাকা ধান হাবুডুবু খাচ্ছে। শুধু তাই নয় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে কৃষকের এখন সবজি চাষের মৌসুম যেমন পটল, সিম, বেগুন,লাউ,আলু,ভুট্রা সহ অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

 

সরেজমিনে দেখা যাই, পৌর এলাকার বলুহর বাসষ্ট্যান্ড এর ভাটার মোড়ে তিন বিঘা আমন ধান হাবুডুবু খাচ্ছে। তারপাশে রয়েছে প্রায় ছয় বিঘা জমির ওপর একটি মাছের ঘের পানিতে থইথই করছে।

 

এসময় স্থানীয় বাসিন্দা মমিনুর রহমান হিরা নামে একজনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, টানা বৃষ্টির কারনে পানি প্রায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাকা আমন ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এবং এখানে ছয় বিঘার যে মাছের ঘের রয়েছে, সেটা প্রবল বর্ষণে পানি বেড়ে যাওয়ায় আনুমানিক ক্ষতি হয়েছে দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা।

 

তিনি আরও বলেন কোটচাঁদপুর পান্তা-মাঠ, পারলাট মাঠের পানি খাল-দিয়ে চলে যায় কপোতাক্ষ নদে।কিন্তু খাল দুই দিক থেকে চেপে ছোট হয়ে যাওয়ার কারনে একটু মোটা বৃষ্টি হলে এই মাঠের সমস্ত কৃষকদের অনেক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এসময় তিনি সহ আরও অনেকে পৌরসভার মেয়র সহিদুজ্জামান সেলিম এর কাছে এই খাল টা খনন করে কপোতাক্ষ নদীতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য জোর দাবি জানাই।

 

এবিষয়ে পৌরসভার মেয়র সহিদুজ্জামান সেলিম এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, এই খালটা জেলা পরিষদের খাল। তারপরও পৌরবাসীর কথা চিন্তা করে আমার পক্ষ থেকে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT