
অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ
কয়রায় বিএনপি নেতাকে ফাঁসাতে মৎস্য ঘেরের বাসায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা।
প্রতিবাদে প্রকৃত ঘটনাটি তুলে ধরে ঘের মালিক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এমন ঘটনাটি ঘটেছে কয়রার উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের নয়ানী গ্রামে। ঘের মালিকের অভিযোগ চাঁদা না পেয়ে মৎস্য ঘেরের বাসা পুড়িয়ে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা।
১৮ জুন বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টায় কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার লুৎফর রমানের ছেলে মৎস্য ঘের মালিক আব্দুল লতিফ জানান, উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের নয়ানী গ্রামে জমির মালিকদের নিকট হতে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারী হতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত ডিড নিয়ে বাসা- বাড়ি তৈরী করে মাছ চাষ করে আসছি। হঠাৎ গত ১৭ জুন আনুমানিক বেলা ২ টার দিকে প্রতিপক্ষ এবাদুল গাজীর ছেলে ফিরােজ গাজী, হালিম শেখের ছেলে সেলিম শেখ, মিন্টু শেখের ছেলে লাভলু শেখ, ডালিম শেখের ছেলে শিমুল ও এবাদুল গাজীসহ অনেকে প্রকাশ্য দিবালোকে আমার মৎস্য ঘেরের বাসা পুড়িয়ে দিয়েছে। এতে আমার ঘেরের মালামাল সহ ২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতিসাধিত হয়েছে। যার প্রমান আমার কাছে সংরক্ষিত আছে। তিনি জানান, ওই খানে ঘের করতে হলে চাঁদা দিতে হবে বলে দির্ঘদিন তারা চাঁদা দাবি করে আসছিলাে। আমি ঘের করার সার্থে ইতিমধ্যে ৫১ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছি। যার স্বাক্ষী প্রমাণ রয়েছে। তার পরেও তারা আবারও চাঁদার দাবিতে প্রতিনিয়ত হুমকী ধামকি অব্যহত রাখে। আমি চাঁদা না দেওয়ায় তারা আমার মৎস্য ঘেরের বাসা পুড়িয়ে দিয়েছে। ওই ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে একটি মহল নানা ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। যার ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি একটি পত্রিকায় ওই ঘটনাকে বিএনপি নেতা নাজমুল হুদার নেতৃত্বে ঘটানাে হয়েছে বলে যে অভিযােগ করা হয়েছে। যাহা সঠিক নয়। প্রকৃত ঘটনাটি আড়াল করতে একটি মহল তার উপর দায় চাপানাের চেষ্টা করছে। বিএনপি ও তার কোন সহযােগি সংগঠনের কােন লােকজন আমার ঘেরে আগুন দিয়ে বাসা পুড়িয়ে দেয়নি এবং এ ধরনের কােন ঘটনা ঘটেনি। বিএনপির লােকদেরকে হয়রানী করতে একটি কল্প কাহিনী তৈরী করা হয়েছে। বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কােন লােক এর সাথে জড়িত নয়। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দােষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের সার্বিক সহযােগিতা কামনা করছি।
কয়রা, খুলনা প্রতিনিধি
তারিখঃ ১৮/০৬/২৬ ইং।