1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
পলাশে দলীয় পরিচয় দিয়ে অমিত মোস্তফা খাঁন এর জমি জবর দখলের এবং কাঠাল গাছ কাটার অভিযোগ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর বিকল্প নেই -ইউএনও, এটিএম কামরুল ইসলাম। শ্যামনগরে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত। বিলাইছড়িতে চারা বিতরণ । বেনাপোল পৌর নির্বাচনে নামছেন ইমদাদুল হক ইমদাদ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড নামাজ গ্রাম দুর্গাপুরে গণসংযোগ। পাটকেলঘাটায় সোহাগ পরিবহন খাদে, ঘটনাস্থলেই নিহত- ১। পাটকেলঘাটায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ আসামি গ্রেপ্তার। হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ী ময়না মিয়া হত্যা মামলার আসামী জালাল ডাকাত গ্রেফতার। কেশবপুরে বাবার লাশ বারান্দায় রেখে জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের মারামারি। সাগরদাঁড়িতে পঁচিশ বছর পর পূজা মন্দিরের জমি দখল মুক্ত হয়, ফিরে আসে শান্তি।

সারাদেশে ২২৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৮১২টি মন্দির সংস্কার কাজের অনুমোদন (একনেক)বৈঠকে।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০১৯
  • ৩৪৬ বার পঠিত

ঢাকা প্রতিনিধিঃ
সারাদেশের ১৮১২টি মন্দিরের সংস্কার করতে ২২৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ব্যয়ের একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। ‘সমগ্র দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সংস্কার’ শীর্ষক প্রকল্পটি চলতি মাসে শুরু করে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাস্তবায়ন করবে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট।

প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপার্সন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় মঙ্গলবার মোট ৮টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলোর মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ২৭৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এরমধ্যে বৈদেশিক সহায়তা আকারে ২ হাজার ৯৬২ কোটি ৩২ লাখ টাকা ও সরকারের নিজস্ব তহবিল (জিওবি) হতে ৩ হাজার ৩১৩ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ের লক্ষ্য রয়েছে। সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রকল্পগুলোর বিষয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

তিনি জানান, মন্দিরগুলো সংস্কার হলে দেশের সনাতন ধর্মালম্বীরা উপকৃত হবে। সভায় জানানো হয়েছে, ২০১১ সালের আদমশুমারির তথ্যানুযায়ী দেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা ১ কোটি ২৩ লাখ। যা দেশের জনসংখ্যার অনুপাতে দ্বিতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠী। দেশের হিন্দু জনসাধারণের ধর্মীয় কল্যাণ সাধন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা রক্ষার্থে হিন্দু ধর্মালম্বীদের কল্যাণ ট্রাস্ট মঠ/মন্দির/আশ্রম/তীর্থস্থান/শ্মশানের সংস্কার বা উন্নয়নের জন্য অদ্যবধি উল্লেখযোগ্য কোন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়নি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী সমগ্র দেশে বিভিন্ন স্থানে অনেকগুলো মন্দির ধ্বংস করে দেয়। অন্যান্য সমস্যার পাশাপাশি হিন্দু জনগোষ্ঠীর একটি বড় সমস্যা হচ্ছে হিন্দু সংস্কৃতি ও মন্দিরগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ। আলোচ্য প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে হিন্দু জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে।

উল্লেখ্য, সরকার ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর উন্নয়নে নানা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এরমধ্যে ২০১৭ সালে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলার প্রকল্প অনুমোদন দেয় যার কাজ চলমান রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT