১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

সারাদেশে শহীদ মিনারে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা থাকবে: র‌্যাব ডিজি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

র‌্যাব মহাপরিচালক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, ‘শহীদ মিনার ভাঙচুর প্রতিরোধে সারাদেশে র‌্যাবের একাধিক টিম মোতায়েন রয়েছে। আমরা সবসময় এটি মনিটরিং করছি।’

রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন ঘিরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

র‌্যাব মহাপরিচালক বলেন, সারাদেশে শহীদ মিনারে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা থাকবে। যেকোনো পরিস্থিতিতে র‌্যাব প্রস্তুত আছে বলেও জানান তিনি।

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘সরকারের দেওয়া স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আমরা শহীদ মিনারে আসবো। সারাদেশের শহীদ মিনারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ডগ স্কোয়াড দিয়ে আমরা শহীদ মিনার এলাকায় সুইপিং করছি। বোম্ব স্কোয়াডও নিয়োজিত থাকবে। আমাদের হেলিকপ্টারও প্রস্তুত আছে। ইভটিজিং রোধে নারী ও শিশুদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে এবং আমরা সতর্ক থাকবো।’

র‍্যাব মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘করোনা আক্রান্তের হার কমে এলেও সবাইকে অনুরোধ করবো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাফেরা করবেন। সরকার কর্তৃক যে বিধিনিষেধ রয়েছে মাতৃভাষা অনুষ্ঠানে সবাই তা মেনে চলবো।’

তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ সারাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। র‍্যাবের বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন তাদের নিজ নিজ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্ক থাকবে, টহল থাকবে ও সাদা পোশাকে সারাদেশে র‍্যাবের সদস্যরা মোতায়েন থাকবে। অগ্রীম পদক্ষেপ হিসেবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ আশেপাশের এলাকা ও সারাদেশে গত ১৮ তারিখ থেকে সাদা পোশাকে র‍্যাবের সদস্যরা মোতায়েন রয়েছে।’

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন আরও বলেন, ‘অবজারভেশন পোস্ট, চেকপোস্ট ও স্টেটিক ডিউটি আমরা মোতায়েন করেছি। বোম্ব ডিজপোজাল ইউনিট, স্ট্যান্ডবাই ফোর্সের পাশাপাশি র‍্যাবের মেডিকেল টিমও থাকবে। এছাড়াও র‍্যাব সদরদপ্তরের ইন্টেলিজেন্স টিম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর ও সারাদেশে কৌশলগত স্থানে সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করবে এবং সঙ্গে আভিযানিক দলও মোতায়েন থাকবে।’

র‍্যাব ডিজি বলেন, ‘র‍্যাব সদর দপ্তরের স্পেশাল ফোর্স ও র‍্যাবের হেলিকপ্টার প্রস্তুত রয়েছে। যেকোনো সময় র‍্যাবের হেলিকপ্টার মুভ করাতে আমরা সক্ষম।’

ভার্চুয়াল জগতে গুজব, উসকানিমূলক তথ্য ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানো রোধে সাইবার অপরাধ রোধে র‍্যাবের সাইবার মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রেখেছে। যেকোনো তথ্য বা সমস্যায় র‌্যাবের এই নম্বরে ০১৭৭৭৭২০০২৯ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানান র‌্যাব মহাপরিচালক।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি