২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

মাধবপুরে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে মুজিব শতবর্ষ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর এক’শ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে মাধবপুর উপজেলা প্রশাসন নির্মিত বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাধবপুরের সর্বস্থরের মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য জড়ো হয়।

একে একে মাধবপুর উপজেলা প্রশাসন,থানা প্রশাসন,পৌরসভা,আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,স্বেচ্ছাসেবকলীগ,ছাত্রলীগ,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা তাশনূভা নাশতারাণ জানান,সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাসের জন্য বাংলাদেশে মুজিব শতবার্ষিকী স্বল্প পরিসরে করা হচ্ছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশানুসারে আমরা সীমিত ভাবে অনুষ্ঠান সাজিয়েছি। তিনি আরো জানান মুজিব বর্ষ উপলক্ষে স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীদের নিয়ে কুইজ,চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।আজ দুপুরে মসজিদ,মন্দির ওগীর্জায় শেখ মুজিবুর রহমানের মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও প্রার্থণা করা হবে।

উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা তাশনূভা নাশতারাণ,উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি আয়েশা আক্তার,আওয়ামীলীগ সভাপতি শাহ মোঃমুসলিম,সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব আতিকুর রহমান,মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন (অব) কবীর উদ্দীন,অফিসার ইনচার্জ মাধবপুর থানা ইকবাল হোসেন,তদন্ত দস্তগীর আহম্মদ,

উপজেলা স্বাস্থ্য ওপরিবার পরিকল্পনা কর্মকতা ইশতিয়াক মামুন,কৃষি কর্মকতা সাইফুল ইসলাম,উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জুলফিকার হক চৌধুরী,শিক্ষা কর্মকতা দ্বিজেন্দ্র আচার্য্য,বি আর ডিবি কর্মকতা মশিউর রহমান,যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম,নির্বাচন কর্মকতা মনিরুজ্জামান, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আবুল হোসেন,মহিলা বিষয়ক কর্মকতা জান্নাত সুলতানা, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাআবুল হোসেন,চেয়ারম্যান ফারুখ পাঠানআমার বাড়ি আমার খামারের সমন্বয়ক পারভীন আক্তার,তথ্য সেবা কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা,সুকোমল রায়,তাজুল ইসলাম,প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি সাব্বির হাসান,শাহ মোঃ সেলিম, শ্রীধাম দাশ গুপ্ত,মিজানুর রহমান,আবুল কাসেম,সাকিবুল আলম।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।