২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

মাধবপুরে করোনা প্রতিরোধে ইউনিয়ন ভিত্তিক ট্যাগ অফিসার নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুরে কোভিড-১৯ নোবেল করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় প্রত্যেক ইউনিয়নে একজন করে ট্যাগ অফিসার নিযুক্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসনূভা নাশতারাণ জানান, হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা লোকজন নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে না মানায় উপজেলায় সকল শ্রেণির জনগণের মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণের হুমকি দেখা দিয়েছে, উপজেলার সকল হাটবাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ইউনিয়ন ভিত্তিক হাট বাজারে সুষ্ঠু মনিটরিংয়ের জন্য প্রতি ইউনিয়নে একজন করে ট্যাগ অফিসার নিযুক্ত করা হয়েছে।

তারা ইউনিয়ন পরিষদের গঠিত কমিটির সাথে সমন্বয় করে কাজ করবেন। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সমাজসেবা কর্মকর্তা সোলায়মান মজুমদার ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন ধর্মঘর ইউনিয়ন,

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক পরিদর্শক সাইফুজ্জামান ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম চৌমুহনী ইউনিয়ন, উপজেলা প্রকৌশলী জুলফিকার হক চৌধুরী ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা তাপস ক্রান্তি বড়ুয়া বহরা ইউনিয়ন, জন স্বাস্থ্য উপ সহকারী প্রকৌশলী লোকমান মিয়া আদাঐর ইউনিয়ন,মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আন্দিউড়া ইউনিয়ন, শিক্ষা কর্মকর্তা দ্বিজেন্দ্র আচার্য্য শাহাজাহানপুর ইউনিয়ন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা  জান্নাত সুলতানা ও সার্ভেয়ার সোহেল রানা জগদীশপুর ইউনিয়ন, প্রানীজ সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মুজিবুর  রহমান বুল্লা ইউনিয়ন,

মৎস্য কর্মকর্তা আবু আসাদ ফরিদুল হক নয়াপাড়া ইউনিয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাসুদুল ইসলাম ছাতিয়াইন ইউনিয়ন, রিসোর্ট সেন্টারের প্রশিক্ষক শাহাদাত হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম ১নং ওয়ার্ড, মাধবপুর পৌরসভা,কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ২ থেকে ৬নং ওয়ার্ড, মাধবপুর পৌরসভা, আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের সমন্বয়ক পারভীন আক্তার ৭ থেকে ৯নং ওয়ার্ড, মাধবপুর পৌরসভা’র ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি