১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

মাধবপুরে করুনার দোহাই দিয়ে নিত্য পন্য সামগ্রীর দাম বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধি:হবিগঞ্জের মাধবপুরে করুনার দোহাই দিয়ে নিত্য পন্য সামগ্রীর দাম বাড়ছে।খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ পড়েছে বিপাকে।

এ ব্যপারে সাংবাদিক তথা সুশীল সমাজের মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন স্টেটাস দিয়ে যাচ্ছে।

সাংবাদিক আয়ূব খান লিখেছেন “কতিপয় ব্যবসায়ী এত অমানবিক লোভী হয় কি করে? যে কোন দুর্যোগ দেখা দিলেই জিনিষপত্রের কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে দেয়।মানুষ কত টুকু হীন নিচ হলে এটা করতে পারে? দেশে প্রচুর খাদ্য সহ নিত্য প্রয়োজনী জিনিষপত্রের সরবরাহ রয়েছে এর পরও দাম বাড়ানোর ষড়যন্ত্র ছলছে।ব্যবসা কিন্তু একটা সেবা মনে রাখতে হবে।

তবে মুনাফাখোরি, মজুদদারি কিন্তু অপরাধ।তোমরা যারা ব্যবসার নামে জনগনের সাথে প্রতারণা করছ এতে তোমরা সবার কাছে অমানুষ হিসেবে বিবেচিত হবে।এখন থামাম দুনিয়ায় একটা মানবিক সংকট ছলছে। আমরা শ্রেষ্ট হলেও এখনো আমরা পরাজিত।অতএব শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিতে আরো লড়াই করতে হবে।”

মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক সাব্বির হাসান আকাশ লিখেছে”এই মূহু্র্তে বাজার মনিটরিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের স্বভাব দেখাতে শুরু করেছে।”

আলাউদ্দীন আল রনি লিখেছেন”করোনা ভাইরাসের দোহাই দিয়ে এক শ্রেনীর ব্যবসায়ী অহেতুক দ্রব্য মূল্যের দাম বৃদ্ধি করে চলেছে।প্রশাসন এ বিষয়ে দেয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি।”

এ ছাড়া আরো অনেকে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করে বাজারের পন্য সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখার আহবান জানান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি