1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মোল্লা কবির হোসেন ডুমুরিয়ার জাবরা পল্লী জাগরণী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত। সভাপতি নজরুল, সম্পাদক রনি” কেশবপুরে ‘বেলকাটি তারুণ্য ক্লাব’র যাত্রা শুরু। কেশবপুরে কমরেড নিজাম উদ্দীন-এর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত। জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে ভেড়ামারায় শ্রী শ্রী জগৎ জননী মাতৃ মন্দিরে মঙ্গল শোভাযাত্রা ও দুর্গাপূজার কাঠামো উদ্বোধন ​। কয়রায় মাস ব্যাপী গণসংযোগ উপলক্ষে জামায়াতের দাওয়াতী সমাবেশ। সাদিপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া, নাগরিক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস মেয়র পদপ্রার্থীর। কয়রায় বিয়ের মাত্র ১৭ দিনের মাথায় শ্বশুর বাড়ীতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা । শ্যামনগরে জনসম্মুখে পোড়ানো হল নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল। আকস্মিক বিলাইছড়ি উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী। মণিরামপুরের টুনিয়াঘরা মহিলা আলিম মাদরাসায় ঈদে মিলাদুন্নবী অনুষ্ঠিত।

ভাঙছে নদী, বিলীন হচ্ছে জনপদ

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২২ নভেম্বর, ২০১৮
  • ৩৩৮ বার পঠিত

সম্পাদকীয় ॥

চোখের সামনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ঘরবাড়ি। বাজার, স্কুল, হাসপাতাল, পাকা সড়ক গিলে খাচ্ছে নদী। মানুষ সর্বস্বান্ত হচ্ছে। দুই দিন আগের সম্পন্ন গৃহস্থ হঠাৎ করেই বাস্তুহারা। শরীয়তপুরের নড়িয়া, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ, রংপুরের কাউনিয়া, টাঙ্গাইলের ফতেপুর, ফরিদপুরের চরভদ্রাসন আজ নদীভাঙনে বিপর্যস্ত। কুষ্টিয়ায় ২০০ কোটি টাকার বাঁধে ধস দেখা দেওয়ায় হুমকির মুখে শিলাইদহের রবীন্দ্র কুঠিবাড়িসহ দুটি ইউনিয়ন।

তথ্য সুত্রে জনা যায়, গত দেড় মাসে পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় অন্তত সাড়ে তিন হাজার পরিবার বাড়িঘর ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে। মাত্র দুই দিনেই বিলীন হয়েছে মূলফৎগঞ্জ বাজারের তিন শতাধিক দোকানপাট; ঝুঁকিতে পড়েছে আরো ৯ শতাধিক। নড়িয়ার একমাত্র সরকারি হাসপাতালটি যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে যেতে পারে এই আশঙ্কায় মালপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ লাইন সরিয়ে নেওয়ায় বিচ্ছিন্ন রয়েছে বাজার ও হাসপাতালসহ আশপাশের বিদ্যুৎসংযোগ।

নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য মতে, সাড়ে তিন হাজার পরিবারের বাড়িঘর নদীতে বিলীন হওয়ার তথ্য লিপিবদ্ধ হয়েছে। এর বাইরে আরো কয়েকটি এলাকা নদীতে বিলীন হওয়ার তথ্য রয়েছে। ওই এলাকায় পদ্মাতীরের মানুষের নির্ঘুম রাত কাটছে। অন্যদিকে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনে মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ইউনিয়ন। গত তিন-চার দিনের অব্যাহত ভাঙনে এ ইউনিয়নের হাজার হাজার বিঘা ফসলি জমি এখন নদীতে। জমি ও বসতভিটা হারিয়ে পদ্মাপারের শত শত পরিবার এখন নিঃস্ব। ফসলসহ জমি নদীতে বিলীন হওয়ায় কৃষকরা দিশাহারা। কয়েক দিনে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকার বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

বিভিন্ন সুত্রে প্রকাশ, পদ্মা সরতে সরতে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার দিকে এগোতে থাকায় কয়েক বছর ধরে এলাকাবাসী সরকারের কাছে আবেদন-নিবেদনসহ মিছিল-বিক্ষোভ করে আসছিল। অবশেষে এ বছরের জানুয়ারিতে হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প একনেকে পাসও হয়। কিন্তু কাজ শুরুর আগেই এলাকাবাসীকে এই দুর্যোগের মুখোমুখি হতে হলো।

নদী আগ্রাসী হলে জনপদ বিপর্যস্ত হবেই। নদী রক্ষণাবেক্ষণে দূরদর্শী পদক্ষেপ না নিলে এমন অবস্থা চলতেই থাকবে। আমাদের নদীগুলোতে ক্যাপিটাল ড্রেজিং দরকার; কিন্তু তার ব্যবস্থা নেই। নদীশাসনের ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন আছে। এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার পাশাপাশি এখন ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হবে। নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত মানুষের পুনর্বাসনে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

আমরা আশা করব, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বিলম্ব করবে না।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT