২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

বেনাপোল নামাজ গ্রামে জমি সংক্রান্ত দ্বন্ধে গ্রামবাসীর সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সাগর হোসেন,বেনাপোল(যশোর)প্রতিনিধি: যশোর জেলার শার্শা উপজেলার পোর্ট থানাধীন নামাজ গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীর দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে এতে ঐ গ্রামের ভুক্তভোগী মাহবুব এবং জহর আলী আজ এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের সেই সমস্যার কথা সাংবাদিকদের সম্মুখে তুলে ধরেন।

মঙ্গলবার(২৩/০৪/১৯ইং) তারিখ বেলা ১১ টায় বেনাপোল স্টেশন রোডস্থ সীমান্ত প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ভুক্তভোগী মাহবুব বলেন, বেনাপোল পোর্ট থানাধীন বেনাপোল ইউনিয়নের নামাজ গ্রাম এবং সাদীপুর মৌজায় সীমান্ত রেখা বরাবর আমার বাপ-দাদার পৈতৃক সম্পতি, সেখানে প্রায় ৪০ বছর যাবৎ আমি এবং আমার বংশধরেরা বসবাস করিয়া আসিতেছি।

উল্লেখ্য: নামাজ গ্রাম মৌজায় ২ নং ম্যাপে সেখানে কোন প্রকার রাস্তা বা তথ্য কথিত খাল ছিল না। আমাদের দুজনার জমির পাশ্ববর্তী হাকর(বড় ধরনের খাল) থেকে পানি আমাদের জমি সংলগ্ন ফসলের মাঠে পানি নিস্কাসনের জন্য আমাদের জমির সম্মুখ বরাবর একটি ড্রেন খনন করা হয়। শুধু মাত্র জমির সেচ সুবিধার জন্য যেটি ১৯৯০ সালে ভূমি রেকর্ড কালীন সময় রেকর্ডকারী কর্মকর্তার ভূল বশত ৩ নং ম্যাপে খাল বলে চিহিৃত করে। ফলে তাদের সেই চিহিৃত করা খাল যা আমাদের দুজনার জমির অংশ। এব্যাপারে আমরা ভূমি জরিপ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি গ্রহন করেছি,সেটি সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি