২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

বেনাপোলে বেশী দামে পেয়াজ বিক্রির:ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সাগর হোসেন,বেনাপোল(যশোর) প্রতিনিধিঃ বেনাপোল বাজারে অতিরিক্ত মুল্যে পেয়াজ বিক্রি করার অভিযোগে ভ্রাম্যমান আদালত দুই ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

শুক্রবার বেলা ১১ টার সময় শার্শা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ খোরশেদ আলম চৌধুরী অসাধু ব্যবসায়ীদের ক্রয় রিসিট দেখাতে ব্যার্থ হলে এই জরিমানা করেন।
বেনাপোল বাজারে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট খোরশেদ আলম বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পেয়াজের মুল্য অস্বাভাবিক ভাবে বাড়িয়ে জনজীবন দুর্বিসহ করে তুলেছে। এসব ব্যবসায়িরা পাইকারী ১৩০ টাকা ক্রয় করে বাজারে ভোক্তাদের কাছে ২০০ থেকে ২৩০ টাকা বিক্রি করছে প্রতি কেজি। সাধারন জনগন এসব ব্যবসায়ি সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি । এছাড়া বাজারে ব্যবসায়িরা পন্যর মুল্যে তালিকা দেখাতে ও ব্যর্থ হয়েছে।

বেনাপোল বাজারের ব্যবসায়ি শামছুর রহমান বলেন, আমি যশোর পাইকারি বাজার থেকে যে পেয়াজ ক্রয় করেছি তার মেমো দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় আমাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। অপরদিকে মুজিবর রহমান বলেন, আমার মেমোতে ১৮০ টাকা পেয়াজ ক্রয় দেখালেও তিনি আমাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

অপরদিকে শার্শার নাভারণ বাজারেও ব্যবসায়িদের অনিয়ম এর কারনে দুইজন ব্যবসায়িকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে সুনির্দিষ্ট তথ্যর ভিত্তিতে জানা গেছে।
এ সময় বেনাপোল পোর্ট থানার এ এসআই জাকির হোসেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এর সহযোগিতা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি