১৮ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

বেনাপোলে থেকে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণ ও ১২ হাজার ডলার সহ আটক-৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সাগর হোসেন,বেনাপোল(যশোর) প্রতিনিধিঃবেনাপোল সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযানে ৩ কোটি ০৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকার ৬৯ পিছ স্বর্নের (৬ কেজি ১৮৫ গ্রাম) বার ও নগদ ১২ হাজার মার্কিন ডলার সহ ৪ জনকে আটক করেছে বিজিবি।

বৃহস্পতিবার ভোর ৬ টা থেকে সকাল ৮ টা পর্যন্ত বিজিবির অভিযানে স্বর্ণ, ডলার সহ ৪ জন আটক হয়।

আটককৃতরা হলেন, বেনাপোল পোর্ট থানার সাদিপুর গ্রামের হাসু চৌধুরীর ছেলে মোবিন চৌধুরী (৫৬) পোড়াবাড়ি নারানপুর গ্রামের আকবার আলীর ছেলে নুরুল ইসলাম (৩৬) ডলার সহ আটককৃতরা হলেন একই থানার পুটখালী গ্রামের মহিউদ্দিন এর ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৫) একই গ্রমের শহিদুলের ছেলে আব্দৃুর রাজ্জাক।

যশোর ৪৯ বিজিবির উপ- পরিচালক ফারুক হোসেন বলেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল সাদিপুর গ্রামের বেলতলা মোড় থেকে মোবিন চৌধুরী নামে একজনকে ৪৯ পিছ স্বর্নের ( ৩ কেজি ৮৫০ গ্রাম) বার সহ আটক করা হয় । সে সাইকেলে নিয়ে স্বর্ণ বহন করছিল। এরপর যশোর বেনাপোল মহাসড়কের আমড়াখালী বিজিবি চেকপোষ্ট থেকে একটি লোকাল বাস তল্লাশি করে নুরুল ইসলাম নামে একজনকে ২০ পিছ স্বর্ণের ( ২ কেজি ৩৩৫ গ্রাম) বার সহ আটক করা হয়। নুরুল অভিনব কায়দায় পায়ে আ্যাংলেটের মধ্যে করে যশোর থেকে বেনাপোল এর দিকে যাচ্ছিল। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের আনুমানিক বাজার মুল্য ৩ কোটি ০৬ লাখ ৮৪ হাজার ২৫ টাকা। আটককৃতদের মামলা দিয়ে স্বর্ণ সহ বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

অপদিকে পুটখালী ২১ বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার মশিউর রহমান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুটখালী মসজিদ বাড়ি চেকপোষ্ট থেকে রফিকুল ও রাজ্জাককে আটক করা হয়েছে। তারা ভারত থেকে চোরাইপথে ডলার এনে পাচার করছিল বলে তিনি জানান। আটককৃতদের ডলার সহ বেনাপোল পোর্ট থানায় মামলা দিয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য মোবিন এর আগে ৫২ পিছ স্বর্ণ সহ বেনাপোল এর কাগজপুকুর এলাকায় বিজিবির কাছে আটক হয়েছিল। স্ইে মামলায় সে জামিনে এসে আবারও স্বর্ন পাচার কাজে লিপ্ত রয়েছে। তবে মামলা এখনো চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।