২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

বেনাপোলে ছাত্রলীগ নেতা নাসিরের উপর বোমা হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সাগর হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল গ্রামের বাবলুর রহমানের পুত্র শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সহ- সভাপতি মোঃ নাসির হোসেনের উপর ( ২৮) বৃহস্প্রতিবার রাত সাড়ে আটটার সময় দূর্বত্তরা বোমা হামলা চালিয়েছে। রাজনৈতিক সংক্রান্তের বিরোধের জের ধরে ২-৩ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ৩টি বোমা হামলা চালায় বলে নাসির জানান। ৩টি অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার করেছে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ। ১টি বোমা মাথায় লাগায় নাসির সামান্য আহত হয়েছে । ভাগ্যক্রমে বোমাটি বিস্ফোরিত না হওয়ায় ছাত্রলীগ নেতা নাসির ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। বোমা হামলার ব্যাপারে নাসিরের পরিবার বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এই বোমা হামলার কারণে বেনাপোল গ্রামে কলেজ পাড়ার কেলের কান্দায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে৷ এলাকাবাসী ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে বোমা হামলার প্রতিবাদ করতে থাকেন ৷

ছাত্রলীগের সহ সভাপতি অবিস্ফোরিত বোমা হামলার শিকার নাসির হোসেন জানান দৈনন্দিন কাজ শেষে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পর কেলেরকান্দা মসজিদের পাশে আমার বড় ভাইয়ের বাড়ীতে নির্মান কাজ দেখতে যাওয়ার সময় আগে থেকে সেখানে ওৎপেতে থাকা সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা পিছন দিকে আমার উপরে বোমা হামলা চালায় ৷ একটি বোমা আমার মাথায় নিক্ষেপ করে ,কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বোমাটি বিস্ফোরিত না হওয়ায় আমি ভাগ্যক্রমে প্রানে বেঁচে যায়। আমার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যান৷ তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ছিলেন ৷ এসময় আশপাশে থাকা আমার আত্মীয় স্বজনেরা ঘটনাস্থলে এলে আমি মোবাইল ফোনে পুলিশকে সংবাদ দিই। পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে তিনটি অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নাসির আরও জানায়, রাজনৈতিক সংক্রান্ত জের ধরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা এ বোমা চালায়। এর আগেও আমার ও আমার বাড়ীতে একই ভাবে হামলা চালিয়েছিল ৷

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি