২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

বিষমদ কান্ডে আজ কুখ্যাত মদ ব্যাবসায়ী খোড়া বাদশা কে আজীবন কারা বাসের সাজা ঘোষণা আলিপুর জেলা আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।।

আজ থেকে প্রায় নয় বৎসর আগে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার উস্তি ও মগরাহাট থানা এলাকায় ভয়াবহ বিষমদ খেয়ে মৃত্যু হয়েছিল, ১৭২,জন, মানুষের। ঘটনাটি ঘটেছিল, ২0১১,সালে, ডিসেম্বর মাসে। সেই ভয়াবহ বিষমদ কান্ডের মৃত্যু ঘটনার ফলে উত্তাল হয়ে উঠে পশ্চিম বাংলার রাজ্যে রাজনিতিতে। সেই ভয়াবহ বিষমদ কান্ডে মৃত্যু নগরীর রূপ নেয় গোটা উস্হি ও মগরাহাট থানা এলাকায়। সেই সাথে যুক্ত হয় মন্দির বাজার ও ডায়মন্ড হারবার থানা এলাকার মানুষ। বিষমদ কান্ডের মৃত্যুর আকার এতটাই বেশি ছিল যে একের পর এক মানুষের লাশ বইতে হিমশিম খেতে হয় সাধারণ মানুষের। বিষমদ কান্ডে কারো বাবা কারো ভাই ও চাচা বন্ধু মারা যায়। যাদের আত্মনাদে মগরাহাট থানা ও উস্তি থানা এলাকার আকাশে ও বাতাসে ভেসে ওঠে। সেই মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটনার জেরে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ে। এই বিষমদ কান্ডের তদন্তের ভার পড়ে পশ্চিম বাংলার সি আই ডি উপর। তারা তদন্ত করে মূল আসামি নুর ইসলাম ফকির লস্কর ওরফে খোড়া বাদশা কে দোষী সাব্যস্ত করে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা আদালত আলিপুরে চার্চ সিট পাঠিয়ে দেন। দীর্ঘ নয় বৎসর ধরে মামলা চলার পর আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা আদালত আলিপুর দোষী সাব্যস্ত করে বিষমদ কান্ডের প্রধান আসামি নুর ইসলাম ফকির লস্কর কে। তাকে আজীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করে বিচারপতি। সেই সাথে প্রমাণ ও সাক্ষীদের অভাবে সাতজন কে ছেড়ে দেন। এই বিষমদ কান্ডে ঘটনার রায় শুনে মৃত ব্যক্তির পরিবারের মধ্যে খুশির হাওয়া বইছে। সেই সাথে তাদের আক্ষেপ যারা ঔ বিষমদ কান্ডের প্রধান আসামি নুর ইসলাম ফকির লস্কর ওরফে খোড়া বাদশার কাছ থেকে মাসে মাসোহারা খেত তারা আজ শাসক দলের নেতা ও ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্য ছাড় পেয়েছে। ওরা সমান ভাবে দোষী ছিল এই জঘন্য কাজ এর সহায়তা প্রদান করার জন্য। তারা আজ আইনের রক্ষিত। যখন এই বিষমদ কান্ডের ঘটনা ঘটে তার পরিপ্রেক্ষিতে সেই সময় উস্তি থানা ও মগরাহাট থানার এবং পারুলিয়া কোস্টাল থানার দায়িত্ব পালন কারী সার্কেল অফিসার শ্রী অলোক রন্ধন মুন্সী কে বদলি করা হয়। এবং উস্তি ও মগরাহাট থানার কিছু অফিসার কে বদলি করা হয় এই ঘটনার দায়ে।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।