২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সাধন রায়,লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ

 

 

 

 

লালমনিরহাট জেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের কে,ডি, বুড়ি কুড়া সরকারির প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

 

 

গত বছরের মার্চ মাস থেকে নভেল করোনা ভাইরাসের প্রকোপ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়লে সরকার দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষনা করে।

 

সেই থেকে আজ অবধি স্কুল বন্ধ থাকায় স্কুলের উন্নয়নে সরকারি বরাদ্দের টাকা প্রধান শিক্ষক ও স্কুল সভাপতি স্লিপ বরাদ্দ ও রুটিন মেরামতের টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগবাটরা করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সামান্য টাকা নিয়ে কোথাও কোথাও শিক্ষকদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।

 

 

সদর উপজেলা শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট সদর উপজেলায় মোট ১৪৮ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রয়েছে। করোনার অযুহাতে স্কুল বন্ধ থাকায় বেশির ভাগ স্কুলে ২০১৯/২০২০ অর্থ বছরের সরকারি বরাদ্দের টাকা সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকরা ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছেন।আর এর কিছু অংশ উপজেলা শিক্ষা অফিসে দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

 

 

২০২০/২০২১ অর্থ বছরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি বরাদ্দের অবস্থা আরো ভয়াবহ বলে যানা গেছে।

 

 

কে,ডি,বুড়ি কুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্লিপ বরাদ্দ ৩৬ হাজার ও রুটিন মেরামত বাবদ ৬৪ হাজার ৭ শত ৫০ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। যা প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির যৌথ একাউন্টে লালমনিরহাট সুনালী ব্যাংকে হিসাব নম্বরে ৩৪০১৫০৫১ তে উপজেলা শিক্ষা অফিস ৩১/৫/২১ তারিখে ও ৫/৮/২১ তারিখে দুই ধাপে মোট ১ লক্ষ ৭ হাজার ৫০ টাকা জমা করে। চতুর প্রধান শিক্ষক মুকুল রায় কৌশলে স্কুলের কাজ না করে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিজের বাড়ীর কাজ করা শুরু করেছে।ফলে ঐ এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

 

 

 

এ বিষয়ে কে,ডি,বুড়ি কুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুকুল রায় সাংবাদিকদের বলেন,আমি সব টাকা ব্যাংক থেকে তুলেছি স্কুলের কাজ করব বলে। কিন্তু স্কুলের কাজ না করে বাড়ীর কাজ কেন করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপনারা কি লেখার লেখার লেখেন। এমনি গত বছরের টাকার বিষয়ে তিনি কোন কথা বলেন নি।

 

 

জেলা শিক্ষা অফিসার গোলাম নবি বলেন,আসলে করোনার কারনে আমরা কোন কাজ করতে পারছি না।এখন থেকে দেখছি।

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি