১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

নবীগঞ্জ সন্ত্রাসী মুসার সহযোগী কাশেম গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি :নবীগঞ্জ আলোচিত সন্ত্রাসী মুসার সহযোগী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি কাশেমকে গ্রেফতার করেছে নবীগঞ্জ থানা পুলিশ

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পাশ্ববর্তী বানিয়াচং উপজেলার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

নবীগঞ্জ থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই সাইফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে বানিয়াচংয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মুসার সহযোগী ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ বাকি আরও ৯ জনকে গ্রেফতার করতে পুলিশ সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

উল্লেখ্য গত (১২ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিভিন্ন মামলায় পরোয়ানা ভুক্ত আসামী উপজেলা সাবেক ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুসাকে গ্রেফতার করতে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় মুসা ও তার সহযোগীরা পুলিশের উপর হামলা করে পরিদর্শক উত্তম কুমার ও উপ-পরিদর্শক ফখরুজ্জামা কে গুরুতর আঘাত করে পালিয়ে যায়। ওইদিন রাতেই মুসার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার মা, বোনসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

এরপর শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) নবীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক ফিরোজ বাদি হয়ে ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন এবং মুসার পরিবারের সদস্যদের ওই মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়। পুলিশ বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে মুসার আরও দুই সহযোগীকে আটক করেন। বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে হাবিবুর রহমান কাশেমকে গ্রেফতার করেন।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন জানান সোহানুর রহমান মুসাসহ মামলার সকল আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি