২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

দেশে টিকার কোনো সংকট নেই : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এমপি বলেছেন বাংলাদেশে টিকার কোন সংকেট নেই। দেশের সকল নাগরিকই কভিড-১৯ প্রতিরোধক টিকা পাবেন।

শনিবার সকালে সিলেট নগরীর রেড ক্রিসেন্ট মাতৃমঙ্গল হাসপাতালে সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকার ‘জাতীয় কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন’-এর ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এসময় তিনি বলেন, ‘ভ্যাকসিন নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। সরকারের হাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণ টিকার মওজুদ রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী দেশের সকল মানুষকে করোনা প্রতিরোধক টিকা প্রদান করা হবে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ করোনা পরিস্থিতি দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করছে। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার বিভিন্ন দেশ থেকে টিকা সংগ্রহ করছে। আগামীতে আরো প্রচুর পরিমাণ টিকা দেশে আসবে।’

‘জাতীয় কভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন’কে যুগান্তকারী পদক্ষেপ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাইকে এ টিকা নেয়ার আহবান জানান।

সিলেটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিলুর রহমান, এসএমপি কমিশনার নিশারুল আরিফ, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমদ পিপিএম, সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিধায়ক রায় চৌধুরী, সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম, সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী মো. নূর আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য বিভাগ সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা: হিমাংশু লাল রায়, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা: প্রেমানন্দ মন্ডল, সিসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

পরে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী নগরের অন্যান্য টিকা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি ক্যাম্পেইন সফল করতে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

উল্লেখ্য, সিলেট সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে ৮১টি কেন্দ্রে চলছে টিকাদান কার্যক্রম। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত টানা তিন দিন চলবে এই টিকা কার্যক্রম। প্রথম দিন প্রতিটি কেন্দ্রে ৩০০ জনকে টিকা দেয়া হবে। ৮ ও ৯ আগস্ট থেকে প্রতিদিন প্রতিটি কেন্দ্রে ২০০ জন নাগরিককে টিকা দেয়া হবে। সিসিকের এই কার্যক্রমে ১৬২ জন কর্মী কাজ করছেন। সূত্র : বাসস

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি