১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

তৃনমূল দল কে শক্তিশালী করার ডাক দিয়েছেন বিধায়ক ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার নতুন সভাপতি শ্রী যোগরন্জন হালদার।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।।

 

আজ দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার অন্তর্গত জয়নগর টাউন হলে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা তৃনমূল দলের জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠক ডাক দেন দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার নতুন গ্রামীণ তৃনমূল দলের সভাপতি ও বিধায়ক শ্রী যোগরন্জন হালদার। তিনি আগামী দিনে দলকে শক্তিশালী করার জন্য তার জেলার অন্তর্গত প্রতিটি বিধান সভা কেন্দ্রে নতুন সভাপতি ও শাখা দলের সভাপতি নির্বাচিত করার জন্য একটি প্রস্তাব পাঠ করেন। কারণ বহু যায়গায় থেকে অভিযোগ আসছে যে পুরাতন দলের নেতা ও কর্মীদের বাদ দিয়ে, বিভিন্ন দল থেকে আসা নেতা কর্মীদের পুরাতন কর্মীদের মাথার উপর বসিয়ে দিচ্ছে। যেমন সদ্য ভারতের জাতীয় কংগ্রেস ও আই এস এফ এবং বিজেপি ও সিপিআই এম ছেড়ে যারা তৃনমূল দলে ভিড়ছেন তাদের কে বিভিন্ন ব্লক এর পুরাতন নেতা ও কর্মীদের বাদ দিয়ে তাদের মাথার উপর বসিয়ে দিচ্ছেন। তার রিপোর্ট হাতে এসেছে। কিন্তু দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার গ্রামীণ তৃনমূল দলের সভাপতি ও বিধায়ক শ্রী যোগরন্জন হালদার বলেন যে নতুন রা আসলে কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু পুরাতন নেতা ও কর্মীদের বাদ দিয়ে নয়। তাই আগামী দিনে নতুন কমিটি গঠন করা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেই সঙ্গে তিনি বলেন কোন বিধায়ক কোন ব্লক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। দলীয় তহবিল সংগ্রহ ও আগামী দিনে দল কে মজবুত করার ডাক দিয়েছেন। তার জন্য দলের সব শাখা ও ব্লক সভাপতিদের নিয়ে একসাথে কাজ করতে হবে। এবং প্রতিটি বিধায়ক ও পঞ্চায়েত সমিতি ও পঞ্চায়েত সদস্য ও জেলা পরিষদ সদস্য কে নিয়ে দলকে নেতৃত্ব দিতে হবে। আজকের সভায় উপস্থিত ছিলেন সুন্দর বন উন্নয়ন বোর্ড এর সভাপতি ও বিধায়ক জনাব শওকত মোল্লা ও বিধায়ক ও আই এন টি টি ইউ সি সভাপতি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা শ্রী মহাদেব হালদার, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা তৃনমূল দলের যুব সভাপতি শ্রী বাপি হালদার এবং সুন্দর বন উন্নয়ন দপ্তর এর মন্ত্রী ও সাগরের বিধায়ক শ্রী সমীর জানা ও মগরাহাট পূর্বের বিধায়ক শ্রী মতি নমিতা সাহা মগরাহাট পশ্চিমের যুব তৃনমূল দলের সভাপতি জনাব ইমরান মোল্লা ও মগরাহাট পশ্চিমের জয়হিন্দ বাহিনীর সভাপতি জনাব কাজী ইনতিয়াজুল হক সহ বিভিন্ন ব্লক সভাপতি ও বিধায়ক ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও অন্যান্য শাখা দলের সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি