১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

তজুমদ্দিনের মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ১৯ জেলের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রায়হান কাজি তজুমদ্দিন প্রতিনিধি: ভোলার তজুমদ্দিনে মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার অপরাধে ২১ জেলেকে আটক করেছে প্রশাসন। এ সময় ১০ হাজার মিটার জাল ও ২টি নৌকা জব্দ করা হয়। আটককৃত ২১ জেলের মধ্যে ১৯ জনকে ১ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

থানা কর্মকর্তা ইনজার্চ এস এম জিয়াউল হক জানান, রোববার দিবাগত রাত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আশ্রাফুল ইসলাম ও মৎস্য কর্মকর্তা আমির হোসেন নেতৃত্বে পুলিশ ও কোষ্টগার্ড মেঘনার বিভিন্ন স্থানে যৌথ অভিযান চালান। এ সময় তজুমদ্দিন ও বোরহানউদ্দিনের মেঘনা মোহনায় মাছ ধরার অবস্থায় দুটি নৌকা ও ১০ হাজার মিটার কারেন্ট জালসহ ২১ জেলেকে আটক করা হয়।

সোমবার দুপুরে আটককৃত জেলে মোসলে উদ্দিন (২৯), ইসমাইল (৩২), জামাল (২৪), ফরহাদ হোসেন (২০), মালেক (৩০), জিয়াউদ্দিন (২৭), রুহুল আমিন (৩৫), মোঃ ইব্রাহিম (৩৫), হেলাল (২৪), সুজন (২০), হাবিবুল বাশার (২৫), খোকন (৩২), রাছেল (২১), আল-আমিন (২০), হুমায়ুন (২০), সিরাজ (৩৫), মোস্তাফিজ (২৫), মোঃ জামাল উদ্দিন (২৮), জামাল (৩০) প্রত্যেককে ১ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আশ্রাফুল ইসলাম।

 

এদিকে বয়স কম হওয়ায় রাজিব (১২) ও সজিব (৯) কে মুচলেকা নিয়ে তাদের অভিভাবকদের নিকট হস্তান্তর করা হয়। আটকৃতরা বোরহানউদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দা। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমির হোসেন বলেন, আটককৃত ১০ হাজার মিটার জাল রাতেই পুড়ে ধ্বংস করা হয় এবং নৌকা ২টি প্রশাসনে হেফাজতে রয়েছে।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আশ্রাফুল ইসলাম বলেন, নিষেধাজ্ঞার ২ মাস যাতে কেউ নদীতে মাছ ধরতে না পারে সেজন্য আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি