২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

জাতীয় শোক দিবসে বিজিবির খাদ্য সামগ্রী পেলো বহুল আলোচিত দহগ্রামের ১২০ পরিবার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ:

লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার মুল ভূ-খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন লোকালয় দহগ্রাম-আঙ্গরপোতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬তম মৃত্যু বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে ১২০টি গরীব ও অসহায় পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

 

এসব খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেটে ৫কেজি চাল, ২কেজি আলু, ১কেজি চিনি, ১লিটার সয়াবিনে তেল, ১কেজি লবণ ও ১টি করে সাবান দেওয়া হয়।

 

রবিবার (১৫ আগস্ট) সকালে দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন রংপুর-৫১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লেঃ কর্ণেল ইসাহাক আলী। এ সময় দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল হোসেনসহ স্থানীয় বিজিবি কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এদিকে লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতাহার হোসেন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

 

অপরদিকে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ, উপজেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ বাহিনী, থানা পুলিশ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর ব্যানারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস ও ৪৬তম শাহাদাত বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি