২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ছাতকে নারী নির্যাতন মামলার আসামী মাসুদকে গ্রেফতার করতে পারছে না পুলিশ।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সেলিম মাহবুব,ছাতক ।

 

সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে দায়েরী মামলার আসামী মাসুদ আহমদকে গ্রেফতার করতে পারছে না পুলিশ। মাসুদ আহমদ পৌর শহরের কুমনা-ভাজনামহল গ্রামের আনোয়ার হোসেনের পুত্র। ঘটনার প্রায় দেড় মাস অতিবাহিত হলেও পুলিশ আসামীকে গ্রেফতার করতে পারছে না। এতে মামলার বাদী শংকিত হয়ে পড়েছেন। গ্রামের একটি মহল মামলাটি ধামাচাপা দিয়ে আসামীকে রক্ষা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। জানা যায়, নোয়ারাই ইউনিয়নের বাতিরকান্দি এলাকার এক ষোড়শীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ঘর থেকে পালিয়ে নিয়ে আসে মাসুদ আহমদ। ঘটনার পরদিন ১৩ জুন ছাতক থানায় এ ব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়েরি (নং-৬৩১) করেন ওই ষোড়শীর চাচা আব্দুস শহিদ। ১৬ জুন পেপারমিল এলাকার একটি চায়ের দোকানে ষোড়শীকে নিয়ে আসে মাসুদ আহমদ। বিষয়টি দেখে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে ষোড়শীকে স্থানীয় সুনু মিয়ার বাড়িতে নেয়া হয়। ষোড়শীর বক্তব্য অনুযায়ী পেপারমিলের একটি পরিত্যক্ত ভবনে তাকে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে মাসুদ আহমদ। খবর পেয়ে আব্দুস শহিদ তার ভাতিজিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। এ ঘটনার পর থেকেই মাসুদ আহমদ পলাতক রয়েছে। ১৮ জুন বাতিরকান্দি গ্রামের তমিজ আলীর পুত্র আব্দুস শহিদ বাদী হয়ে মাসুদ আহমদের বিরুদ্ধে ছাতক থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী-২০০৩) এর ৭/৯(১)/৩০ ধারায় একটি মামলা (নং-১৫) দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দিপঙ্কর বিশ্বাস জানান, আসামী মাসুদ আহমদ পলাতক। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি