২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

চাঁদপুরে পৃথক ট্রেন দূর্ঘটনায় অজ্ঞাত ২ ব্যক্তির মৃত্যু  ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ রিফাত পাটোয়ারী চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

চাঁদপুর শহরের মিশন রোডে ও হাজীগঞ্জ উপজেলার সাতবাড়িয়া নামক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

১৯ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাত পোনে ১০ টার দিকে চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের চাঁদপুর শহরের মিশন রোডের পূর্ব দিকে খান বাড়ির সামনে এবং হাজীগঞ্জ সাতবাড়িয়া নামক স্থানে এ পৃথক দুটি ঘটনা ঘটে।

ট্রেনে কাটা পড়া নিহত এই অজ্ঞাত দুই ব্যক্তির কোন নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তাদের একজনের বয়স আনুমানিক ৫৫ এবং অপর জনের বয়স ৩২ হবে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০ টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাঁদপুর বড় স্টেশনে যাওয়ার পরপরই মিশন রোডের পূর্ব দিকে খান বাড়ির সামনে রেললাইনের পাশে এক অজ্ঞাত বৃদ্ধের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। ট্রেনের আঘাতে তার মাথার মগজ বের হয়ে রক্তাক্ত জখম হয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

পরে তারা বিষয়টি চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের লোকজনকে জানালে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি প্যাকেটজাত করে চাঁদপুর রেলওয়ে থানা পুলিশকে অবগত করেন। খবর পেয়ে চাঁদপুর রেলওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে পিএম রিপোর্টের জন্য লাশ মর্গে পাঠান।

চাঁদপুর নতুন বাজার ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার জাকির হোসেন জানান, মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের আঘাতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যুর বিষয়টি স্থানীয় লোকজন আমাদেরকে জানিয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি প্যাকেট করে চাঁদপুর রেলওয়ে থানা পুলিশকে অবগত করেছি।

অপরদিকে একই দিন বেলা সাড়ে ১২ টায় চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সাতবাড়িয়া নামক স্থানে সাগরিকা ট্রেনের নিচে ৩২ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলে রেলওয়ে থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়। তারও কোন নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। ওই ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেন রেলওয়ে থানা পুলিশ মামলা নং- ০৬/২১।

এ বিষয়ে চাঁদপুর রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মুরাদ উল্ল্যাহ বাহার জানান, মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনের আঘাতে এই অজ্ঞাত বৃদ্ধের মৃত্যুর খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল করে পিএম রির্পোটের জন্য মর্গে পাঠানো হবে। তবে তারা দু,জনই অজ্ঞাত। তাদের কোন নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। আমরা পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা করবো এবং পরিচয় শনাক্ত হলেই তাদের পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করবো।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি