1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা। কেশবপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রণীর শিক্ষার্থীদের নবীন বরন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে Bangla QR ব্যবহার বৃদ্ধি ও ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিনির্মানে ক্যাম্পেইন। কেশবপুর সমাধান সংস্থার উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গাছের চারা বিতরণ। শ্যামনগর দেবীপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে এমএমএস ট্যাবলেট বিতরণ উদ্বোধন। কয়রার সেরাজুল ইসলাম জাতীয় পর্যায়ে সেরা গুণী শিক্ষক নির্বাচিত। খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসকের সাথে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব খুলনা মহানগর কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলের শুভেচ্ছা মতবিনিময়। কেশবপুরে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ। নিরাপদ খুলনা চাই সোনাডাঙ্গা থানা শাখা কমিটির মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ উদযাপন।

গজারিয়ার বাউশিয়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১
  • ২২৯ বার পঠিত

ওসমান গনি গজারিয়া প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জর গজারিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দিলো স্থানীয় যুবকরা।

গজারিয়া উপজেলা বাউশিয়া ইউনিয়নের পোড়াচক বাউশিয়া যুব সমাজের উদ্যোগে পোড়াচক বাউশিয়া সালেহিয়া মুহিব্বিয়া দ্বীনিয়া মাদ্রাসার জন্য সেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে ১২০ ফিট দৈর্ঘ্যের বাঁশের সাকো নির্মাণ করা হয়।  সাঁকোটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। এতে পোড়াচক বাউশিয়া সালেহিয়া মুহিব্বিয়া দ্বীনিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের জন্য ও পোড়াচক

বাউশিয়া গ্রামের পূর্ব পাড়া মহাল্লার প্রায় ২০০ মানুষের যোগাযোগ সহজ হলো। ফলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ও মহল্লার বাসিন্দাদের দুর্ভোগ কমে গেছে। তাঁদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

 

কাউসার সরকার, আজিম, মামুন, সজিব এর উদ্যোগে কয়েকশত যুবক স্বেচ্ছাশ্রমের মধ্যদিয়ে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে।

 

স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায় বর্ষার পানি বৃদ্ধি পাওয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মাদ্রাসায় আশা যাওয়া খুব কষ্ট হয়ে পরেছে।

বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পারাপারে চরম ভোগান্তির শিকার হন স্থানীয় বাসিন্দারা। পারাপারে প্রতি বছর ব্যবহার করেন নিন্মমানের ছোট্ট সাঁকো। অনেকে সেই সাঁকো দিয়ে যেতে না পেরে হাটুপানি নেয়ে হেটে যায়। এতে করে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। ওই এলাকার অন্তত ২ থেকে ৩ শত মানুষ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা ও শিক্ষক অতিকষ্টে এভাবেই রাস্তায় হেটে আসছেন দিনের পরে দিন।

 

স্থানীয় সাবেক মেম্বার তাবারেক মেম্বার, হাসান জাহাঙ্গীর, শাহ আলমের আর্থিক সহযোগিতা ১২০ ফিট দৈর্ঘ্যের বাঁশের সাকোটি নির্মাণ করা হয় বলে জানা যায়।

 

গ্রামের কাউসার সরকার বলেন, এখানে একটি রাস্তার জন্য বিভিন্নজনের কাছে ঘুরেছি। কিন্তু কাজ হয়নি। আপাতত সাঁকোটি নির্মাণ করে চলাচল ব্যবস্থা ঠিক রাখা হচ্ছে। তবে এখানে সরকারিভাবে একটি রাস্তায় নির্মাণের দাবি জানাচ্ছি।

 

 

৪নং ওয়ার্ডের সাবেক তাবারক মেম্বার বলেন, এখানে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ হওয়ায় এলাকাবাসীর চলাচলে সুবিধা হয়েছে। তবে স্থায়ীভাবে একটি রাস্তায় নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT