২০শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৫ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

গজারিয়ায় পাকা রাস্তায় ভেঙে গর্ত ও   জলাবদ্ধতায় দুর্ভোগে টেঙ্গারচর ইউনিয়নের বড়ইকান্দি ভাটেরচর এলাকাবাসী ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ওসমান গনি গজারিয়া প্রতিনিধিঃ

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় টেঙ্গারচর ইউনিয়নে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হতে বড়ইকান্দি ভাটেরচর

গ্রাম হয়ে পাকা রাস্তা ভেঙে গর্ত ও জলাবদ্ধতা দুর্ভোগের শিকার সিএনজি-অটোরিকশা সহ ছোট পরিবহন চালক, চলাচলকারি যাত্রী ও এলাকাবাসী।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ভাটেরচর বাস স্ট্যান্ড হতে বড়ইকান্দি ভাটেরচর গ্রামের শেষ পর্যন্ত একাধিক স্থানে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতায় পাকা সড়কে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে চলাচলকারি যাত্রী , পরিবহন চালক ও এলাকাবাসী। এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করে ইউনিয়নের বাসিন্দারা।

 

এ রাস্তায় সিএনজি ,অটোরিক্সা ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করে না। বর্ষায় রাস্তার গর্তে পানি জমে গেলে এসব যানবাহনও চলাচল করতে পারে না। দ্রুত রাস্তাটি পাকাকরণের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

 

বড়ইকান্দি ভাটেরচর গ্রামের মাসুমের বাড়ি সংলগ্ন পাকা রাস্তায় জলাবদ্ধতায় আসা-যাওয়া করছে, সিএনজি ,অটোরিক্সা সহ বিভিন্ন ধরনের ছোট পরিবহন।ভাটেরচর স্ট্যান্ড হতে বড়ইকান্দি গ্রাম যেতে রাস্তায় একাধিক স্থানে ছোট বড় গর্ত থাকায় যান চলাচলে খুব সমস্যা হয়, এছাড়াও সামান্য বৃষ্টিতেই জলাশয়ের সৃষ্টি হয় রাস্তায়। দূভোগে পড়ছি সিএনজি চালক, অটোরিকশা চালক এবং ছোট পরিবহনে চলাচলকারি নারী-পুরুষ যাত্রী। খানাখন্দ এই জলাশয়ের কারণে যাত্রীদের পরিধেয় পোষাক নষ্ট হচ্ছে ।কখনো অটোরিকশার উল্টিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। প্রতিনিয়ত ক্ষতির শিকার হচ্ছি অটো মিশুক চালকরা । রাস্তায় জলাবদ্ধ বৃষ্টির পানিতে গাড়ি নষ্ট হচ্ছে দ্রুত সময়ে। অটোরিকশার চালকসহ এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত সময়ে রাস্তার এই খানা-খন্দকে ভাঙ্গা রাস্তা মেরামত প্রত্যাশা সিএনজি চালক জসিম উদ্দিন তোতা বলেন, রাস্তার এ বেহাল দশার কারণে এখন অনেকেই এ পথে চলাচলের সময়ে আতংকের মধ্যে রয়েছি । এ বিষয়ে সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

 

এছাড়াও রাস্তাটি দিয়ে ভাটেরচর বাজারে, ভাটেরচর দে এ মান্নান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও বড়ইকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্ডারগার্টেন স্কুল ও ভাটেরচর মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থী যাতয়াত করে। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটিতে জলাবদ্ধ বৃষ্টির পানিতে থাকার কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘ সময় পার হলেও গ্রামীণ এই অবহেলিত মরণফাঁদ রাস্তায়।

মোটরসাইকেল চালক আকাশ বলেন সড়ক দিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে দিনের বেলায় কোনরকম চলাচল করলেও রাতে বেলা সম্ভব না।

 

 

ইউপি চেয়ারম্যান এস এম সালাউদিন মাস্টার জানান এলাকার গণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে একাধিকবার উপজেলা আইন শৃংখলা সভা এবং উন্নয়ন সভায় রাস্তা সংস্কার চাহিদা দেওয়া হয়েছে। মেরামত বরাদ্দ না থাকায় সংস্কার হচ্ছে না। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে এলজিইডির গজারিয়া উপজেলার উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ইশতিয়াক আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, কয়েক হাজার মানুষ এ রাস্তাটি ব্যবহার করেন। তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে এ অর্থবছরে রাস্তাটির নির্মাণ কাজ শুরু করা যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।