1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মুক্তেশ্বরী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের মাসিক সাহিত্য সভা। বিলাইছড়ির এলপন দীর্ঘ লাফে প্রথম স্থান অধিকারী। কেশবপুরে সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের শুভ উদ্বোধন করলেন ইউএনও। জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কারপ্রাপ্ত ৯ ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী কেশবপুরের ‘মাঈশা’র অকাল মৃত্যু, শোকাহত কেশবপুরবাসী। রাঙামাটির বিলাইছড়ি- রাজস্থলী সড়কে জীপ উল্টে বৃদ্ধের মৃত্যু । কয়রায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির দ্বি-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত । কেশবপুরে ‘ফারিয়া’র উদ্যোগে প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। কেশবপুর বাহারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার সভাপতি ও বিদ্যোৎসাহী সদস্যকে সংবর্ধনা প্রদান। শ্যামনগরে দলিত নারী, কিশোরী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান। পশ্চিম সুন্দরবনে বাঘের আক্রমনে এক মৌয়াল গুরুতর আহত।

খুবিতে উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদযাপিত।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৩ বার পঠিত

অনিমেষ সানা খুলনা থেকে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উৎসবমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। দিনব্যাপী নানা আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার বরণ করে নেয় বাংলা নতুন বছরকে।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদী চত্বরে বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের এক উজ্জ্বল প্রতীক। নতুন বছর বরণের এই আয়োজন আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।

তিনি আরও বলেন, প্রতিবছর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষকে ঘিরে নানা আয়োজন করা হয় এবং এ দিনটিতে খুলনাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ বিশ্ববিদ্যালয়ে সমবেত হন। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কারুকাজ ও অংশগ্রহণে বর্ষবরণের অনুষ্ঠান সবার কাছে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
উপাচার্য বলেন, বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ আমাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করেছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে শিকড়কে ধারণ করেই উন্নয়ন, সম্প্রীতি ও মানবিকতার পথে এগিয়ে যেতে হবে। নতুন বছরে বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, বাংলা নববর্ষ উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. রুমানা হক, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান এবং কমিটির সদস্য সচিব ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে হাদী চত্বর থেকে বের হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ঘুরে দ্বিতীয় ফটক দিয়ে প্রবেশ করে কেন্দ্রীয় মাঠে গিয়ে শেষ হয়। কাঠের তৈরি মোটিফ, মুখোশ, আল্পনা, ঢাক-ঢোলসহ নানা ঐতিহ্যবাহী অনুষঙ্গে সজ্জিত শোভাযাত্রাটি পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে দেয় নববর্ষের রঙিন আবহ।

পরে কেন্দ্রীয় মাঠে বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন উপাচার্য। মেলায় শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে পিঠা-পুলি, হস্তশিল্প, ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও নানা পণ্যের স্টল বসানো হয়। শিশুদের জন্য ছিল নাগরদোলা, ম্যাজিক শোসহ বিভিন্ন বিনোদনের আয়োজন। এছাড়াও বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ পরিণত হয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্রহণ করা হয় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT