১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

কুলাউড়ায় করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে অনিশ্চয়তায়।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মো: রেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ

 

কুলাউড়ায় প্রথম পর্যায়ে সেরামের কোভিশিল্ড (অ্যাস্ট্রাজেনেকা) করোনার টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় রয়েছেন ১ হাজার ৮৪৯ জন। টিকা সংকটের জন্য দ্বিতীয় ডোজ পাননি তাঁরা। প্রায় তিন মাস পার হয়ে গেলেও দ্বিতীয় ডোজের টিকা না পাওয়ায় শঙ্কায় রয়েছেন কোভিশিল্ডের টিকা গ্রহণকারীরা।

 

তবে মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ জানান, কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারীরা জাপান থেকে পাওয়া অক্সফোর্ডের অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিতে পারবেন।

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, কুলাউড়ায় গত জানুয়ারি মাসে প্রথম পর্যায়ে করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম পর্যায়ে ভারতের সেরামের কোভিশিল্ড (অ্যাস্ট্রাজেনেকা) করোনার প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণ করেন ১০ হাজার ৭৪ জন। এর মধ্যে ৮ হাজার ২২৫ জন দ্বিতীয় ডোজ কোভিশিল্ড টিকা গ্রহণ করছেন। অপেক্ষমাণ আছেন ১ হাজার ৮৪৯ জন।

 

কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় থাকা জসীম চৌধুরী, ইমরান আহমদ ও সুভাষ দাশসহ একাধিক টিকা গ্রহণকারী জানান, গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে তাঁরা প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন। এপ্রিলে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার কথা থাকলেও টিকা শেষ হয়ে যাওয়ায় অপেক্ষায় রয়েছেন। ৩ মাস পার হয়ে গেলেও এখনো কবে টিকা আসবে সেটিও নিশ্চিত করে জানতে পারেননি।

 

কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফেরদৌস আক্তার বলেন, প্রথম পর্যায়ের টিকা গ্রহণকারীরা অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা এলে দ্বিতীয় ডোজ পাবে।

 

মৌলভীবাজার জেলা সিভিল সার্জন ডা. চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ বলেন, অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজ যাঁরা পাননি তাঁরা শিগগিরই পাবেন। দেশে জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার যে টিকা এসেছে সেটি দিতে পারবেন। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রথম ডোজ গ্রহণকারীদের দ্বিতীয় ডোজ আগে দেওয়া হবে। তাই দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি