২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ইন্দোনেশিয়ায় দুই শতাধিক অবৈধ ‘বাংলাদেশি’ আটক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দীপের মেদান শহরে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ এবং বসবাসের অভিযোগে অন্তত দুই শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। ঘটনায় আটককৃতরা সকলেই বর্তমানে প্রাদেশিক পুলিশের হেফাজতে আছেন।

মঙ্গলবার (৫ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় রাতে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জাগরণ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আটককৃত ২০০ বাংলাদেশি দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় মেদান শহরের একটি দুইতলা বিশিষ্ট বাড়িতে বাস করছিলেন। তাদের প্রতিবেশীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার দিন রাতে পুলিশ সেই বাড়িটিতে অভিযান পরিচালনা করে। মূলত সেখান থেকেই এতো সংখ্যক বাংলাদেশিকে একসঙ্গে আটক করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তাদের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, আটক হওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগেরই বয়স ২০ বছরের কম। তবে তারা আদৌ প্রকৃত বাংলাদেশি নাকি রোহিঙ্গা সেই বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ইন্দোনেশিয়ার কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন সময় বাংলাদেশ থেকে আগত এসব ব্যক্তিরা কয়েক বেশ মাস যাবত অবৈধভাবে সেই বাড়িটিতে বসবাস করছিলেন। এই লোকেরা বাংলাদেশ থেকে নৌকা দিয়ে সুমাত্রা দীপে এসেছিল। তাদের কাছে কোনো পরিচয়পত্র নেই।

উল্লেখ্য, আশ্রয় এবং কাজের সন্ধানে অবৈধ পথে মালয়েশিয়া যেতে চাচ্ছিল সেই সব অবৈধ অনুপ্রবেশকারী। তবে সরাসরি দেশটিতে প্রবেশের কোনো প্রক্রিয়া না থাকায় তারা এসে ইন্দোনেশিয়াতে সাময়িক অবস্থান গ্রহণ করছিল বলে ধারণা দীপটির পুলিশ কর্মকর্তাদের।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি