
মোঃ মুক্তাদির হোসেন,
স্টাফ রিপোর্টার।
নরসিংদীর পলাশে দলীয় পরিচয় দিয়ে, গাছ কাটার এবং জমি জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা কামাল মেম্বার ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে অমিত মোস্তফা খাঁন বাদী হয়ে পলাশ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় বিএনপি নেতা কামাল মেম্বার এর সহযোগীতায় গত সোমবার (১৭আগষ্ট) সকালে উক্ত সম্পত্তি জবরদখলের উদ্দেশ্যে ঘর নির্মাণের জন্য চারটি সিমেন্ট এর পালা ১৭ /৮ ২০২৬ ইং জমিতে রেখে যায়,এবং প্রায় ৩০ বছর পূর্বের একটি কাঁঠাল গাছ কেটে ফেলে । এসময় আমার ভারাটিয়া জিজ্ঞেস করলে ঘর নির্মাণের মালামাল ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে অমিত মোস্তফা বাদী হয়ে ১৭/৮/২০২৬ ইং রোজ রোববার বিকেলে পলাশ থানায় থানায় নামে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে আমি অমিত মোস্তফা খাঁন,পিতা মৃত : মোবারক খাঁন,বিবাদী মোঃ কামাল হোসেন ( মেম্বার), পিতা মৃত রফিজ উদ্দিন সাং জয়পুরা,ডাকঘর খাস হাওলা থানা পলাশ, জেলা : নরসিংদী, বিবাদী দীর্ঘদিন যাবত নরসিংদী জেলার পলাশ থানাধীন গাবতলী মৌজাস্হিত দলিল নং ৯০৮/১১ তারিখ ১৪/২/২০১১ ইং মুলে আমার ও আমার অন্যান্য ওয়ারিশ গনদের নামে ক্রয়কৃত আর এস ৬৫ নং খতিয়ান ভূক্ত আর এস ১৮৮ নং দাগে চালা জমি ৩০ শতাংশের কাতে ০৫.০০ শতাংশ জমি নিয়ে আমার সাথে শত্রুতা করে আসছে, বিভিন্ন সময়ে গর্নমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিত থেকে একাধিক বার সালিশ করার পরে ও আমার জমি দখলের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে, নরসিংদীর বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করি যাহার নং ১৮/২০২৫ তারিখ ১৪/০৮/২০২৫ ইং উক্ত মামলা দায়ের পরে বিবাদী আমাকে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে,এবং প্রানে মেরে ফেলার কথা ও বলছে, এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ /৮/২০২৬ ইং তারিখ সকালে আমার জমিতে জোর পূর্বক ডুকে আমার ৩০ বছর পূর্বের কাঁঠাল গাছটি কেটে ফেলে,সকাল ১০ ঘঠিকার সময় আমার ভাড়াটিয়া(কুতুবউদ্দিন মিয়া) এসে দেখে জিজ্ঞেস করে তোমারা কারা কার নির্দেশে গাছ কাটছো,তার বলে কামাল মেম্বার বলছে গাঁছ কাটতে, পরে তারা গাছ তারাহুরো করে সিমানার বাহিরে নিয়ে চারটি সিমেন্টের পিলার অমিত মোস্তফার জমিতে রেখে চলে গেছে।
ভাড়াটিয়া কুতুবউদ্দিন আমাকে ফোন দিলে আমি এসে পলাশ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।
অমিত মোস্তফার খাঁন ভারাটিয়া ফরহাদ মিয়া আমাদের প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন আমি প্রায় সাতমাস যাবত মোস্তফা ভাই এর দোকান ভাড়া নিয়ে দোকান চালিয়ে আসতেছি, কিন্তু হঠাৎ করে গত এক সপ্তাহ পূর্বে কামাল মেম্বার , আমাদের ভোগদখলীয় সম্পত্তি জবর দখলের জন্য বিএনপি নেতা কামাল মেম্বার দলের নাম ভাঙ্গিয়ে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ৈ দীর্ঘদিন যাবত চেষ্টা করে আসছে। কামাল মেম্বার বিএনপির কোন পদে আছে নাকি তা আমার জানা নেই তবে প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান এর নির্দেশ কারো জমি দখল করা যাবে না,পলাশের এমপি ড. আব্দুল মঈন খান ও বলেছেন কারো জমি, ঘর দখল করা যাবে না,তাহলে কামাল মেম্বার কেন জমি দখল করতে চায় তা আমার জানা নেই, আমি ও বিএনপি করি সে আমকে ও দোকান ছাড়ার জন্য বলছে ।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামাল মেম্বার মোবাইল ফোনে জানান, আমর কাছে সম্পূর্ণ জমি বিক্রি করারা কথা ছিল,কিন্তু তারা বিক্রি না করে উল্টো আমার ক্রয়কৃত জমির উপর আদালতে পিয়ন শোন করছে আমি ১.২০ জমি অমিত মোস্তফা খাঁন ভাই মোস্তাকিন খাঁন থেকে ক্রয় করি। তারা আমার গাছ কেটেছে তাই আমি তাদের গাছ কাঠছি, আমি দোকানদারদের দোকান ছেড়ে চলে যেতে বলছি কারন তাদের জমির মালিক আমার বিরুদ্ধো আদালতে মামলা দায়ের করেছে সেই জন্য দোকান খালি করতে বলছি।
এ বিষয়ে পলাশ থানার তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি,এবং আমি সরজমিনে গিয়ে গাছ কাটার সততা পেয়েছি, এবং চারটি পিলার মোস্তফার জমির উপরে পেয়েছি । এবং আমি মোস্তফা কে ১৪৫ দারার বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য বলছি। এবিষয়ে অমিত মোস্তফা খাঁন আমাদের প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন যে আমার পিতা আমাদের তিন ভাই কে জমি লিখে দেন,বড় ভাই ১.২০ শতাংশ জমি কামাল মেম্বার এর কাছে বিক্রি করে দিলে আমি আদালতে মামলা করি এই মামলা করাটাই আমার অপরাধ, আমি কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, তবে আমার জমি কেন কামাল মেম্বার এর দখল করতে হবে, আমাদের বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী যে যায়গায় ঘোষণা করলেন ২৫ কোটি চারা গাছ রোপণ করার ঘোষণা করলেন, আর কামাল মেম্বার কেমনে একটি ফলজ গাছ কেটে আমার জমি দখলের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে, তা আমার বুঝতে কষ্ট হচ্ছে। স আমাদের সম্পত্তি রক্ষায় স্থানীয় সাংসদ ও পুলিশ প্রশাসনের সার্বিক সহযোগীতা কামনা করছি।