1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের দাবী । উচ্চ বেতনে চাকরির নামে ১৭ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ। পিবিআই খুলনার অভিযানে প্র*তারক চক্রের -১ সদস্য গ্রেফতার। কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ, থানায় লিখিত অভিযোগ। উন্নয়নের নাগরিক অঙ্গীকার ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে সাদীপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে মেয়র প্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ। তালায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবন মান উন্নয়নে ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্ক্রিল প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত । জুরাছড়িতে  লেপ্রসি মিশন কর্তৃক কর্মশালা অনুষ্ঠিত । কেশবপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে বম জনগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্তির দাবিতে। কেশবপুরে প্রশাসনের আয়োজনে ঈদ-ই- মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন।

গৃহহীন সুবণার ভাগ্যে জোটেনি প্রধানমন্ত্রীর ঘর।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৯৯ বার পঠিত

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি :

কোটচাঁদপুর ব্রিজঘাট হালদার পাড়ার বাসিন্দা হত দরিদ্র বিধবা সুবণা কমকারের কপালে আজও জোটেনি গৃহহীন হতদরিদ্রদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর। এলাকার জনপ্রতিনিধি, উপজেলার সরকারি কর্মকতা সবারকাছে দু বছর যাবত একাধিকবার ধর্ণা দিয়ে ও তার কপালে জোটেনি একটি নিরাপদ আশ্রয়ের ঘর। আইডি কাড অনুযায়ী সুবর্ণা কর্মকারের বয়স ৭৫ বছর। কাজ করার মতো শক্তি সামর্থ কোনটাই তার নেই। স্বামী নিমাই কর্মকার ১২ বছর আগেই মারা গেছে,তিন ছেলে জীবিত থাকলেও কোন ছেলে তার দেখাশোনা করে না। স্বামীর রেখে যাওয়া ব্রিজঘাট হালদার পাড়ায় ৩ শতক জমিতে জীর্ণ একটি কুঠিরে থাকেন সুবর্ণা কমকার। খোজখবর নেবার জন্য যেয়ে দেখা যায় জরাজীর্ণ টিনের চালার নিচে বসে আছেন বৃদ্ধা। সামনে যেতেই তিনি করুর সুরে বললেন বাবা আমার একটা সরকারি ঘর করে দিবা, আমি খুব কষ্টে আছি। বৃষ্টি সময় ঘরে থকা যায় না, টিন সব ফুটো হয়ে গেছে, যে দিন রাতে ঝড় বৃষ্টি হয় সে দিন সারারাত ঘুমাতে পারি না বসেই রাত কাটতে হয়। ঘরের জন্য কত মেম্বর চেয়ারম্যানের কাছে গেলাম, উপজেলা অফিসে গেলাম কেউ আমার একটা ঘরের ব্যবস্থা করে দিলনা। সবাই বলে সময় হলেই হবে। আর কত সময় হলে আমি ঘর পাব বাবা আমার থেকেও যারা অনেক ভালো আছে তারা পেল শুধু আমি পেলাম না। রাতে যদি একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারতাম তাহলে আর কোন কষ্ট থাকত না। ৩ ছেলে থাকলেও কেউ আমার দেখেনা খোঁজখবর নেয় না,এ কথা গুলো বলতে বলতে তিনি হাত দিয়ে চোখের জল মুছলেন। ভাঙা ঘরের দুয়ারে বসে এভাবেই মাঝে মাঝে কাদেন আর প্রলাপ বকেন। এ বিষয় নিয়ে মোবাইলে কথা হয় উপজেলা চেয়ারম্যন ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শরিফুননেছা মিকির সঙ্গে। তিনি জানান এখন শুধু ভূমিহীনদের গৃহ নির্মান প্রকল্প চালু আছে, এবং এলাকায় এর কাজও চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT