1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মোমবাতি জ্বেলে কালরাতের শহীদদের স্মরণ। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাংবাদিক শ্রী মিশুক চন্দ্র ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে সকল শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। বিলাইছড়িতে গণহত্যা দিবস পালিত। নিধুরাম ভুঁইয়া বাড়িতে সার্বজনীন বাসন্তী পুজো ও বসন্ত উৎসব ২০২৬ নানা আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কয়রায় যথাযথ মর্যাদায় গণহত্যা দিবস পালন।  বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি কার্যক্রম শুরু, জমা লাখ টাকা বাধ্যতামূলক। স্ত্রীকে নদীতে ফেলে হত্যা চেষ্টা, স্বামী আটক। খুলনায় ২৫ মার্চ গনহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা। বাগেরহাট কিশোরীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ কুয়েটের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব ভার গ্রহন ।

গৃহহীন সুবণার ভাগ্যে জোটেনি প্রধানমন্ত্রীর ঘর।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১৭৩ বার পঠিত

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি :

কোটচাঁদপুর ব্রিজঘাট হালদার পাড়ার বাসিন্দা হত দরিদ্র বিধবা সুবণা কমকারের কপালে আজও জোটেনি গৃহহীন হতদরিদ্রদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর। এলাকার জনপ্রতিনিধি, উপজেলার সরকারি কর্মকতা সবারকাছে দু বছর যাবত একাধিকবার ধর্ণা দিয়ে ও তার কপালে জোটেনি একটি নিরাপদ আশ্রয়ের ঘর। আইডি কাড অনুযায়ী সুবর্ণা কর্মকারের বয়স ৭৫ বছর। কাজ করার মতো শক্তি সামর্থ কোনটাই তার নেই। স্বামী নিমাই কর্মকার ১২ বছর আগেই মারা গেছে,তিন ছেলে জীবিত থাকলেও কোন ছেলে তার দেখাশোনা করে না। স্বামীর রেখে যাওয়া ব্রিজঘাট হালদার পাড়ায় ৩ শতক জমিতে জীর্ণ একটি কুঠিরে থাকেন সুবর্ণা কমকার। খোজখবর নেবার জন্য যেয়ে দেখা যায় জরাজীর্ণ টিনের চালার নিচে বসে আছেন বৃদ্ধা। সামনে যেতেই তিনি করুর সুরে বললেন বাবা আমার একটা সরকারি ঘর করে দিবা, আমি খুব কষ্টে আছি। বৃষ্টি সময় ঘরে থকা যায় না, টিন সব ফুটো হয়ে গেছে, যে দিন রাতে ঝড় বৃষ্টি হয় সে দিন সারারাত ঘুমাতে পারি না বসেই রাত কাটতে হয়। ঘরের জন্য কত মেম্বর চেয়ারম্যানের কাছে গেলাম, উপজেলা অফিসে গেলাম কেউ আমার একটা ঘরের ব্যবস্থা করে দিলনা। সবাই বলে সময় হলেই হবে। আর কত সময় হলে আমি ঘর পাব বাবা আমার থেকেও যারা অনেক ভালো আছে তারা পেল শুধু আমি পেলাম না। রাতে যদি একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারতাম তাহলে আর কোন কষ্ট থাকত না। ৩ ছেলে থাকলেও কেউ আমার দেখেনা খোঁজখবর নেয় না,এ কথা গুলো বলতে বলতে তিনি হাত দিয়ে চোখের জল মুছলেন। ভাঙা ঘরের দুয়ারে বসে এভাবেই মাঝে মাঝে কাদেন আর প্রলাপ বকেন। এ বিষয় নিয়ে মোবাইলে কথা হয় উপজেলা চেয়ারম্যন ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শরিফুননেছা মিকির সঙ্গে। তিনি জানান এখন শুধু ভূমিহীনদের গৃহ নির্মান প্রকল্প চালু আছে, এবং এলাকায় এর কাজও চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT