1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সাতক্ষীরায় তথ্য অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।  হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে লীজ কৃত জলাশয়ে মাছ শিকারে বাঁধা দেওয়ায় হামলার ঘটনায় আহত যুবকের মৃত্যু। কেশবপুরের মজিদপুরে পুলিশ ও স্থানীয়দের যৌথ উদ্যোগে ‘ভিলেজ ডিফেন্স কমিটি’ গঠন। প্লাস্টিক-পলিথিনের দূষণ রোধে শ্যামনগরে শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা। মনিরামপুরে পানিবন্দি মানুষের মাঝে ঢাকাস্থ মনিরামপুর সমিতির ত্রান সামগ্রি বিতরণ ও মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ। শ্যামনগর ত্রিপানি বিদ্যাপীঠের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ইন্দ্রজীত মন্ডল। কেশবপুরে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত। জেলা অভিভাবক দীপন তালুকদারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন বিলাইছড়ি উপজেলা জাসাস। যশোর মুক্তেশ্বরী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের মাসিক সাহিত্য সভা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা। বেনাপোল পৌরসভাকে আধুনিক ও মডেল পৌরসভায় রূপান্তরের প্রত্যয়।

রাজৈরে নেতাকর্মীসহ আওয়ামী লীগ ছাড়লেন সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান দাদন কান্তা।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • ৭০ বার পঠিত

মাহামুদুল হাসান রনি
মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি।

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার হরিদাসদী মহেন্দ্রদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ দাদন কান্তা দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। একই সাথে তিনি ভবিষ্যতে আর কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতি করবেন না বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।
​এক লিখিত বিবৃতিতে হরিদাসদী মহেন্দ্রদী ইউনিয়নবাসীর উদ্দেশ্যে মোঃ দাদন কান্তা তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের চড়াই-উতরাই ও বর্তমান সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরেন।
​বিবৃতিতে তিনি জানান, ২০০৪ সালে তিনি ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এবং ২০০৫ সালে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ সালের ইউনিয়ন নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি সামান্য ব্যবধানে পরাজিত হন। পরবর্তীতে ২০১২ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটে হরিদাসদী মহেন্দ্রদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি অভিযোগ করেন, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন তিনি রাজনৈতিকভাবে গ্রেফতার ও হয়রানির শিকার হন।
​পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নেন এবং সাধারণ সম্পাদক পদের দায়িত্ব পান। কিন্তু পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন (নৌকা প্রতীক) চাইতে গেলে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের নেতৃবৃন্দ তাঁর গায়ে “বিএনপির গন্ধ” আছে উল্লেখ করে প্রতীক দিতে অস্বীকৃতি জানান।
​সাবেক এই চেয়ারম্যান অভিযোগ করে বলেন, “দলের শীর্ষ নেতাদের এমন আচরণের পর আমি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু নৌকার বিপক্ষে নির্বাচন করার কারণে আমাকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। শুধু তাই নয়, নির্বাচনে আমার বিপুল জনসমর্থন দেখে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যানের নির্দেশে রাতের আঁধারে ভোট কারচুপি করা হয়। প্রবল বৃষ্টির সুযোগ নিয়ে ৩টি কেন্দ্রে প্রায় ৬০০ ভোট কেটে নেওয়া হয়, যার ফলে আমি মাত্র ৩৫৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হই।”
​তিনি আরও জানান, ২০১৯ সালের নির্বাচনেও একইভাবে উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও কর্মীদের মাধ্যমে তাঁকে জিম্মি করে এবং ভোট কারচুপির মাধ্যমে ২৭৫ ভোটে পরাজিত দেখানো হয়।
​আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতে গিয়ে বারবার নির্যাতিত ও প্রতারিত হয়েছেন দাবি করে দাদন কান্তা বলেন, “অতীতের আওয়ামী লীগের রাজনীতির সূত্র ধরে একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের ফায়দা লুটতে আমাকে গ্রেফতার করায়। ৪টি মিথ্যা মামলায় আমাকে টানা ৬ মাস জেল খাটতে হয়েছে। সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলার চালান দেওয়া হয়। এমনকি সম্প্রতি কিছু লোক টাকা ইনভেস্ট করে আরও ৩টি নতুন মামলায় আমার নাম জড়িয়েছে।”
​বর্তমান সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়ে মোঃ দাদন কান্তা বলেন, “আমি বর্তমানে আওয়ামী লীগের কোনো রাজনীতির সাথে জড়িত নই এবং ভবিষ্যতেও কখনো আওয়ামী লীগ করব না। প্রশাসনের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, এই বিষয়টি সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে দেখা হোক। আমাকে এবং আমার মতো অন্য কোনো নির্দোষ ব্যক্তিকে যেন এমন মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় আর জড়ানো না হয়।”
​নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগের এই ঘোষণার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT