1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

শার্শা-বেনাপোল মাদক ব্যাবসা ও সেবনে শীর্ষে সীমান্তবর্তী এলাকা সাদিপুর ভবের বের ছোট আচরা ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২১২ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ।

যশোর জেলা মাদক ব্যাবসা ও মাদক সেবনের
শীর্ষে রয়েছে যশোরের শার্শা ও সাদিপুর ভবের বের বেনাপোলের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো।

শার্শা বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকায় সাদিপুর,ভবেরবেড়,বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন,কাগজপুকুর, পোড়াবাড়ি নারায়ণপুর,বড় আচড়া,বারিপোতা,বিভিন্ন গ্রাম এখন মাদকের আখড়াই পরিনিত হয়েছে।উঠতি বয়সের যুবকেরা বেশিই।ফলে যৌন হয়রানি ও শিশু ধরর্ষনের মত ঘটনাও ঘটছে,অধিক মুনাফা ও সহজে সাদিপুর দিয়ে আনতে পারাই মাদক ব্যাবসায়ীরা রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে রূপ নিয়েছে। সাদিপুরে কিছু প্রভাবশালী লোক রাত তখন তিনটা বাজে হাতে রামদা ও নিয়ে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে বসে থাকেন গ্রামবাসীর সবার চোখে দেখেন কিছু বলতে পারেন না তাদের কাছে গ্রামবাসী অসহায় কিছু বলতে গেলে গ্রাম ছাড়তে হবে।

এসব এলাকার মধ্যে সব থেকে মাদক আমদানির ৫ টি সীমান্তবর্তী গ্রাম,বেনাপোল ভবের বের,সাদিপুর ও পুরাতন মাদক ব্যাবসায়ীদের আখড়া হওয়াতে বেনাপোল হাইরোডে যুবকেরা মোটরসাইকেল রেখে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সেবন করছে এইসব মাদক।বিক্রি করার জন্য মহিলারা ছদ্মবেশে রাস্তায় ঘুরাফেরা করেন।বেনাপোল পোর্ট থানার ইনচার্জ মামুন খানের নেতৃত্বে কয়েকদিনের মধ্যে বেশকিছু মাদক জব্দ করা হয়েছে । কিন্তু মাদকের গড ফাদারে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকেই যাচ্ছে।আইন প্রয়োগকারী কাছে গ্রামবাসীর জোরালো দাবি উক্ত গ্রামগুলো থেকে মাদকের শিকড় তুলি ফেলানোর জন্য।

অনেকেই বলছেন বিভিন্ন এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী ও মাদকের আখড়ার খবর পুলিশ প্রশাসন সবই জানেন,অথচ কেন নীরব ভূমিকা পালন করছেন তা বোধগম্য নয়।

মাদক নিয়ন্ত্রনে থানা পুলিশের কি ভুমিকা রয়েছে জানতে চাইল বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান জানান,মাদক নিয়ন্ত্রনে আমাদের অভিযান সর্বদা অব্যাহত রয়েছে,তাছাড়া জনগণের সাথে মিশে সহজে খোঁজ খবর নেয়ার উদ্দেশ্যেই বিট পুলিশিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।মাদক সেবন ও ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে জনগনকে পলিশের হয়ে কাজ করার আহবান করেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT