1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগরে এইচএসসি,আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ম দিনে অনুপস্থিত অর্ধশত। সারা দেশে এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু,মোট পরিক্ষার্থী ১২ লক্ষ ৭০ হাজার ৫৮৩ কালীগঞ্জে পরিক্ষার্থী ১৮৫৫ জন। আজীবন কয়রার মানুষের পাশে থাকতে চাই …………….জেলা পরিষদের প্রশাসক বাপ্পী। বাগদহা গ্রামে সবচেয়ে পুরনো রাস্তার বেহাল অবস্থাঃ দেখার কেউ নেই। মো. আল-আমিন দেওয়ান আল আবেদী জন্ম দিনের শুভেচ্ছায় শিক্তহলেন। কেশবপুরে এনসিপি’র উদ্যোগে শহীদ তৌহিদুর রহমানের কবর জিয়ারত। ফুটপাত-সড়ক দখলমুক্ত করতে কালীগঞ্জে বিশেষ উচ্ছেদ অভিযান। সুন্দরবন রক্ষায় লং মার্চ ফর ফরেস্ট। সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল সম্ভব নয়-(ইউএনও), এটিএম কামরুল ইসলাম।

বিদ্যালয়ের শ্রেনী কক্ষে চলছে প্রধান শিক্ষকের কোচিং বাণিজ্য।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩০৫ বার পঠিত

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক রাজা নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ

প্রধান শিক্ষক এবং সহকারি প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে স্কুল ভবনেই চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য। সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে এই কোচিং বাণিজ্য চলছে টাঙ্গাইলের নাগরপুর শহীদ শামসুল হক পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এর সত্যতা পাওয়া গেছে স্কুল ভবনগুলো ঘুরে। করোনাকালিন স্কুল বন্ধ থাকায় আর শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার জন্য এই প্রাইভেট পড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তারা। জানা যায়, ১৯৭১ স্থালে স্থাপিত হয় নাগরপুর শহীদ শামসুল হক পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবকের অভিযোগ, শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার দাবিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেতাব আলী ও সহকারি প্রধান শিক্ষক জুলহাস উদ্দিন শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের লোভ দেখিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ চালাচ্ছেন এই কোচিং বাণিজ্য। ভালো ফলাফলের আসায় বাধ্য হয়েই ওই কোচিং সেন্টারে পাঠাতে হচ্ছে তাদের শিক্ষার্থীদের। কমপক্ষে স্কুলের শতাধিক ছাত্রী ও বহিরাগত ছাত্র পড়ছে ওই কোচিং সেন্টারে। বেতনও নেয়া ছাত্রী প্রতি পাঁচশ টাকা। তবে স্কুল ভবনে কিভাবে প্রধান শিক্ষক আর সহকারি প্রধান শিক্ষক এই কোচিং বাণিজ্য চালাচ্ছেন এ নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ তারা।

সরেজমিন বিদ্যালয় ভবনের নিচতলার তিনটি কক্ষে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পড়াতে দেখা গেছে। একটি কক্ষে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর মোট ১৩জন শিক্ষার্থীকে পড়াচ্ছেন প্রধান শিক্ষক কেতাব আলী। ষষ্ঠ শ্রেণীর গণিত আর সপ্তম শ্রেণীর ১৪জন শিক্ষার্থীকে ইংরেজি পড়াচ্ছেন সহকারি প্রধান শিক্ষক জুলহাস উদ্দিন আর অস্টম শ্রেণীর ১১জন শিক্ষার্থীকে ইংরেজি পড়াচ্ছেন বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম।

স্কুল ভবনে প্রাইভেট পড়ানোটা ভ‚ল হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন নাগরপুর শামসুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেতাব আলী।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লায়লা খানমের সাথে মুঠো ফোনে কোচিং বানিজ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

নাগরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মনিরুজ্জামান বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত জবাব চাইব, তাদের জবাব দেয়ার পর উর্ধতন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT