1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের দাবী । উচ্চ বেতনে চাকরির নামে ১৭ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ। পিবিআই খুলনার অভিযানে প্র*তারক চক্রের -১ সদস্য গ্রেফতার। কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ, থানায় লিখিত অভিযোগ। উন্নয়নের নাগরিক অঙ্গীকার ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে সাদীপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে মেয়র প্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ। তালায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবন মান উন্নয়নে ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্ক্রিল প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত । জুরাছড়িতে  লেপ্রসি মিশন কর্তৃক কর্মশালা অনুষ্ঠিত । কেশবপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে বম জনগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্তির দাবিতে। কেশবপুরে প্রশাসনের আয়োজনে ঈদ-ই- মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন।

মানসিক ভারসাম্যহীন সেলিমকে দোকানঘর উপহার দিলেন গাইবান্ধার পুলিশ সুপার।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৮৬ বার পঠিত

রাকিবুল ইসলাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধারয় মানসিক ভারসাম্যহীন অসহায় সেলিমকে সদাইসহ দোকানঘর ও নগদ অর্থ উপহার দিয়ে মানবিকতার পরিচয় দিলেন গাইবান্ধা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।

গাইবান্ধা জেলা পুলিশের আয়োজনে বুধবার সকালে সদর উপজেলার গণ উন্নয়ন কেন্দ্র অফিস সংলগ্ন নশরতপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন (বর্তমানে সুস্থ) অসহায় কর্মহীন সেলিমকে তার বাসার পাশে ফিতা কেটে “সদাইপাতি” নামে মালামালসহ দোকানঘর উদ্বোধন করেন জেলা পুলিশ সুপার মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম। সেই সাথে তার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান, গাইবান্ধা ট্রাফিক ইনচার্জ নূর আলম সিদ্দিক, ট্রাফিক সার্জেন্ট তৌহিদুল ইসলাম, টিএসআই রেজা, ইউপি সদস্য ছাবেদ আলীসহ এলাকাবাসীবৃন্দ।

পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, জেলা পুলিশ তাদের সরকারি কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক কাজ করে থাকেন এবং তা অব্যাহত আছে। ইতিমধ্যে করনায় আক্রান্তদের নিশ্চিত করা সহ পরিবারের কোনো সমস্যা হলে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেছে জেলা পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসাবে তাকে এই সহযোগীতা করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ২০২০ সালের ৮ই জুন বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পারি সেলিম নামে একজন মানসিক প্রতিবন্ধী রয়েছে এবং শিকলে বাধা। চিকিৎসার অভাবে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। পরে ১৫ জুন পাবনায় মানসিক হাসপাতালে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করলে ৪ মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। এবং সেলিম যেন ভালভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে সে জন্য তাকে মালসহ দোকানঘর ও নগদ অর্থ উপহার প্রদান করেন। এছাড়াও অন্য কারো পরিবারের খাদ্য সংকট থাকলে তাদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন পুলিশ সুপার।

 

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT