1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ, থানায় লিখিত অভিযোগ। উন্নয়নের নাগরিক অঙ্গীকার ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে সাদীপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে মেয়র প্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ। তালায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবন মান উন্নয়নে ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্ক্রিল প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত । জুরাছড়িতে  লেপ্রসি মিশন কর্তৃক কর্মশালা অনুষ্ঠিত । কেশবপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে বম জনগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্তির দাবিতে। কেশবপুরে প্রশাসনের আয়োজনে ঈদ-ই- মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন। কালীগঞ্জে পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা.)’র জসনে জুলুস। কেশবপুরে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

ত্রিশালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১জন খুন।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১
  • ১৯২ বার পঠিত

ইমরান হাসান বুলবুল,ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি ঃ

ময়মনসিংহের ত্রিশালে মোবাইল ফোন র্চাজ দেওয়াকে কেন্দ্র করে খুন হয়েছেন খামার শ্রমিক ইয়াসিন আলী। দীর্ঘ ৩৩দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গত রোববার রাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়। গত ২৭ জুলাই মামলা করলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি। উল্টো আসামীরা বাদীদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন নিহতের পরিবার।

 

ঘটনাটি ঘটেছে ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামে। দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তানের জনক ইয়াসিন আলী। মৎস্য খামারের তত্ত্ববধায়ক হিসাবে কাজ করতেন সহোদরের একটি মৎস্য খামারে। সেই মৎস খামারে কাউকে কিছু না জানিয়ে মোবাইল ফোন চার্জ দিয়েছে এবং কিছুক্ষন পর র্চাজ দেওয়া মোবাইল খোজেঁ পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবী করে প্রতিবেশী ইকবাল। মৎস্য খামারের তত্ত¡াবধায়ক ইয়াসিন আলী খামারে কোন মোবাইল ফোন চার্জে দেওয়া হয়নি বলে দাবী করলে বাধে বিরোধ। এরই জের ধরে গত ২৭ জুলাই খামার থেকে বাড়ী ফেরার পথে ইকবাল ও তার সহযোগীরা ইয়াসিন আলীর পথরোধ করে ধারালো ছুড়ি দিয়ে উপর্যুপুরি আঘাত করে। এসময় স্থানীয় এক প্রতিবন্ধী ও তার মা এগিয়ে এসে ঘাতকদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত ইয়াসিন আলীকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। দীর্ঘ ৩৩দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে রোববার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে মৃত্যু বরণ করেন তিনি।

 

গুরুতর আহত ও হামলার ঘটনায় ইয়াসিন আলীর ভাই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ২৭ জুলাই মামলা করলেও পুলিশ এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করতে পারেনি কাউকে। উল্টো আসামীরা বাদীদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন নিহতের পরিবার।

 

স্থানীয়, মামলা ও পুলিশ সূত্র জানায়, মৎস্য খামারে মোবাইল চার্জ না দিয়েই চার্জ দেওয়ার কথা বলে কথা কাটাকাটি হয় খামারের তত্ত¡াবধায়ক ইয়াসিন আলী (৪১) এর সাথে প্রতিপক্ষ ইকবাল হোসেনের। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ২৭ জুলাই মঙ্গলবার ইয়াসিন আলী খামার থেকে বাড়ী ফেরার পথে স্থানীয় বঙ্গবন্ধু বাজারে পৌঁছালে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী তার উপর হামলা করে ধানীখোলা ইউনিয়নের উজানদাস পাড়া গ্রামের মৃত আমজাদ আলীর তিন ছেলে ইকবাল হোসেন, খায়রুল ইসলাম ও লাল মিয়া। হামলাকারীরা ধারালো ছুড়ি দিয়ে উপর্যুপুরি ঘাই দিয়ে গুরুতর আহত করে ইয়াসিন আলীকে। পরে স্থানীয় শ্রবন প্রতিবন্ধী তীতু মীর ও তার মা আমিরন ঘাতকদের ধাওয়া করে আহতকে উদ্ধার করলে স্থানীয়রা তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। দীর্ঘ ৩৩দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে রোববার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে মৃত্যু বরণ করেন তিনি। নিহত ইয়াসিন আলী উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের শাহাব উদ্দিনের ছেলে। ইয়াসিন আলীর মৃত্যুর সংবাদে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

প্রতিপক্ষের ছুড়িকাঘাতের ঘটনায় ইয়াসিন আলীর ভাই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ত্রিশাল থানায় গত ২৭ জুলাই একটি মামলা করেন। ঘটনার ৩৩দিন অতিবাহিত হলেও কোন আসামী গ্রেফতার করতে পারেনি ত্রিশাল থানা পুলিশ।

 

এদিকে সোমবার বিকেলে নিহত ইয়াসিন আলীর মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্তের করা হয়।

 

নিহতের বড় ভাই শফিকুল ইসলাম জানান, আমার মাছের খামারটি বিবাদীদের বাড়ীর পাশে হওয়ায় দীর্ঘদিন যাবত তারা খামারের ক্ষয়-ক্ষতি করার হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে, এর প্রতিবাদ করায় বিবাদীরা আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমার ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খুন-জখম করিবে বলিয়া বলাবলি করিয়া আসছে। এরই ধারা বাহিকতায় তারা আমার ভাইকে হত্যা করেছে। তিনি ভাই হত্যাকারীদের দৃষ্টান্ত মূলক বিচার দাবী করেন।

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ত্রিশাল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, আসামীদের লোকেশন পাওয়া যাচ্ছে না, গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 

ত্রিশাল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামীদের গ্রেফতার অভিযান চলছে, তবে তারা ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। তবে দ্রæত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেফতার করা হবে বলেও জানান তিনি।

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT