1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ, থানায় লিখিত অভিযোগ। উন্নয়নের নাগরিক অঙ্গীকার ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে সাদীপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে মেয়র প্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ। তালায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবন মান উন্নয়নে ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্ক্রিল প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত । জুরাছড়িতে  লেপ্রসি মিশন কর্তৃক কর্মশালা অনুষ্ঠিত । কেশবপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে বম জনগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্তির দাবিতে। কেশবপুরে প্রশাসনের আয়োজনে ঈদ-ই- মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন। কালীগঞ্জে পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা.)’র জসনে জুলুস। কেশবপুরে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

রংপুরের পীরগাছায় তিস্তা নদী সব গিলে ফেলছে।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১
  • ১৬৯ বার পঠিত

রিয়াজুল হক সাগর রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

সব খেয়ে ফেলেছে সর্বনাশা তিস্তা নদী। বার বার নদীর পানি বাড়া ও কমায় নদীর ভাঙ্গন তীব্র হচ্ছে। আমাদের চিকিৎসা-সেবায় ভাটা পড়লো। অনেক দুরে ক্লিনিকের কাজ চলায় আমরা তেমন সেবা পাচ্ছি না। স্বাস্থ্যকর্মীরাও আমাদের খোঁজ নিচ্ছে না। কথাগুলো বলছিলেন জয়নাল মিয়া, জসিম উদ্দিন ও আকলিমা বেগম।

জানা যায়, রংপুরের পীরগাছায় শিবদের চরের মানুষের একমাত্র চিকিৎসা সেবার অবলম্বণ ছিল শিবদেব ক্লিনিক। এ ক্লিনিক থেকেই চরের মানুষজন চিকিৎসা-সেবা নিতেন। কিন্তু চোখের সামনেই তিস্তা নদীগর্ভে চলে গেছে গরীবের একমাত্র চিকিৎস্যার মাধ্যম শিবদেব ক্লিনিকটি। আশে পাশে যে ঘনবসতি ছিল তাও বিলীন। নয়ারহাট বাজারটির বেশির ভাগ চলে গেছে তিস্তার পেটে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার ছাওলা ইউনিয়নের শিবদেব গ্রামের শেষ অংশে নয়ারহাট বাজার। যার আশে পাশে ছিল ঘনবসতি, দ্বিতল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিকিৎসা সেবার জন্য ক্লিনিক। আর চারদিকে সবুজে ঘেরা গাছপালা ও ফসলের ক্ষেত। এখন কিছুই নেই। সব নদীগর্ভে বিলীন। ৫ বছর আগে তিস্তার পেটে চলে গেছে দ্বিতল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। এরপর একে একে গালপালা, ফসলী জমি চলে যায়। পাশেই নয়ারহাট বাজারে চলছিল বিদ্যালয়ের কাজ। সেটাও সরানো হয়েছে অনেক দুরে। চরাঞ্চলের গরীব-অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবায় থাকা শিবদেব ক্লিনিকটিও চলে গেছে রাক্ষুসী তিস্তার পেটে। নিভে গেছে গরীবের বাতিঘর। এক সময়ের মানচিত্রে থাকা গ্রামটি এখন শুধুই স্মৃতি। শিবদেব-নয়ারহাট এলাকার নদী ভাঙ্গনের শিকার শতাধিক পরিবার এখন আশ্রয় নিয়েছে বিভিন্ন স্থানে। অনেকে ভাড়াটে জমি খুঁজছে আশেপাশে। নদীগর্ভে বিলীন শিবদেব ক্লিনিকের সব আসবাবপত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে আশ্রয়ন কেন্দ্রে। যা নয়ারহাট এলাকা থেকে ২ কিলোমিটার দুরে। ফলে চিকিৎসা সেবা পেতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ওই এলাকার মানুষজনদের।

শিবদেব ক্লিনিকের দায়িত্বে থাকা ফরহাদ হোসেন বলেন, ভাঙ্গনের কবলে পড়ার আগেই ক্লিনিকের সব মালামাল সরিয়ে নেয়া হয়েছে। আমরা এখন আশ্রয়ন কেন্দ্রে ক্লিনিকের কার্যক্রম চালাচ্ছি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: আবু আল হাজ্জাজ বলেন, বিকল্প হিসেবে আশ্রয়ন কেন্দ্রে কার্যক্রম চলছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ক্লিনিকের জন্য নতুন জায়গা খোঁজা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT