1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের দাবী । উচ্চ বেতনে চাকরির নামে ১৭ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ। পিবিআই খুলনার অভিযানে প্র*তারক চক্রের -১ সদস্য গ্রেফতার। কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ, থানায় লিখিত অভিযোগ। উন্নয়নের নাগরিক অঙ্গীকার ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে সাদীপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে মেয়র প্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ। তালায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবন মান উন্নয়নে ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্ক্রিল প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত । জুরাছড়িতে  লেপ্রসি মিশন কর্তৃক কর্মশালা অনুষ্ঠিত । কেশবপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে বম জনগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্তির দাবিতে। কেশবপুরে প্রশাসনের আয়োজনে ঈদ-ই- মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন।

সাপাহারে বিয়ের প্রলোভনে নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২০০ বার পঠিত

সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর সাপাহারে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে (২৮) ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই নারী ৩ জানুয়ারী সোমবার নওগাঁর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-০২ এ মামলা করেন।

মামলায় নিশ্চিতপুর থ্রী-স্টার ফিলিংস্টেশনের স্বত্বাধিকারী মিলনসহ দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। প্রধান আসামি হলেন উপজেলার নিশ্চিতপুর থ্রী-স্টার ফিলিংস্টেশনের স্বত্বাধিকারী ও মাইপুর গ্রামের মৃত ইসাহাক আলীর ছেলে মোঃ মিলন (২২)। অন্য দুই আসামি হলেন একই গ্রামের মৃত হাজী কুদ্দুস মন্ডলের ছেলে মোঃ রেজাউল (৩৬) ও মৃত তমিজ উদ্দীন মন্ডলের ছেলে মো. বারীক (৪৬)। ওই নারীর বাড়ি নওগাঁর সাপাহার উপজেলায়।

আদালতে দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রধান আসামি মিলন ওই নারীকে বিভিন্ন সময়ে চলার পথে বিভিন্ন ভাবে কু-প্রস্তাব দিতো। ওই নারী প্রধান আসামি মিলনের কু-প্রস্তাবে সাড়া না দিলে ১ নং আসামি ২ ও ৩ নং আসামির কু-পরামর্শে ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখায়। অতঃপর ২ ও ৩ নং আসামি ওই নারীকে প্রধান আসামি মিলনের সাথে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। একপর্যায়ে ওই নারী মিলনের সাথে বিয়ের প্রস্তাবে রাজী হলে ২০২১ সালের ১১ জুন শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে মিলন, রেজাউল ও বারীক একজন অপরিচিত বয়স্ক ব্যকক্তিকে মৌলভী পরিচয়ে ওই নারীর বসতবাড়ীতে নিয়ে যায়। এসময় দোয়া পড়ে রেজাউল ও বারীককে স্বাক্ষী দেখিয়ে ওই নারীর সাথে মিলনের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ওই নারীর কাছে এভাবে বিবাহের বিশ্বাস স্থাপন করে ওই রাতে তার বাড়ীতে শারীরিক ও দৈহিক মেলামেশা করেন মামলার প্রধান আসামি মিলন। এরপর বিভিন্ন সময়ে ওই নারীর বসত বাড়ীতে এবং নজিপুরে একটি ভাড়া বাসায় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে মিলন। পরবর্তীতে ওই নারী বিয়ে রেজিষ্ট্রি করার জন্য মিলনকে তাগিদ দিলে আজ কাল বলে তালবাহানা করতে থাকে মিলন। অতঃপর ওই নারী গর্ভবতী হলে মামলার প্রধান আসামী মিলন মৌলভী দ্বারা বিবাহের বিষয়টি অস্বীকার করে এবং ওই নারীর গর্ভের সন্তান তার নয় বলে জানিয়ে দেয়। উক্ত কথা শুনে ওই নারী হতভম্ব ও দিশেহারা হয়ে পড়েন। প্রধান আসামি বিবাহের বিশ্বাস স্থাপন করে ওই নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। যার ফলে মামলার বাদীনি গর্ভবতী হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য প্রধান আসামি মিলনের খোঁজ করতে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ রয়েছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবি অ্যাডভোকেট এস এম মর্তুজা মাহাতাব উদ্দীন জানান, মামলাটি গ্রহণ করে পি,বি,আই কে তদন্ত করে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT