1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুর-ত্রিমোহিনী সড়ক যেন মরণফাঁদ। শ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু। নিসচা’র ডুমুরিয়ায় নবাগত শিক্ষার্থীদের ইভটিজিং ও সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা। মৌলিক চাহিদা পূরণে অগ্রাধিকার, ওয়ার্ডভিত্তিক উন্নয়নের প্রত্যয় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে মাদকমুক্ত সমাজ ও মানুষের চাহিদা পূরণের কথা বললেন মেয়র পদপ্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদ। কালীগঞ্জ থানা কমিউনিটি পুলিশের বালক কাবাডি দল সেমি ফাইনালে। পাটকেলঘাটায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে একমি কোম্পানির সেলস অফিসার নিহত। পৌরসভার উদ্যোগে মণিরামপুর প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা অভিযান। মণিরামপুরে হরিহর নদে ক্ষতিগ্রস্থ মাদ্রাসা ভবন রক্ষার্থে পাউবোর কাজ শুরু। কেশবপুর খেলাঘর-এর সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আলোচনা সভা। কেশবপুরে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কল্যাণ সংস্থার মাসিক সভা অনুষ্ঠিত।

রংপুরের হারাগাছ মেট্রো থানা এলাকায় মাদকের গন্ধে জনসাধারণ অতিষ্ঠ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২২৬ বার পঠিত

রিয়াজুল হক সাগর রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

রংপুরের হারাগাছ মেট্রো থানাধীন এলাকার আশ পাশের জায়গাগুলিতে সন্ধা নামার সাথে সাথে দেখা মেলে মাদক নামের ভয়ানক মাদক দ্রব্য। মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না উঠতি বয়সের যুবকরা ।সরে জমিনে গিয়ে দেখা গেল যে সন্ধা নামার সাথে সাথে মাদকের আস্থানাগুলিতে মাদকের বিচারণ, হারাগাছ মেট্রো থানার অধীনে যে সব জায়গায় মাদক বিক্রি হয় হারাগাছ মেনাজবাজার, মায়া বাজার বাধেরপাড়, খলিফার বাজার পাঠার বাজার,চাঁদকুঠির হাট, বুদাই নয়া বাজার,কার্তিক সৎবাজারে আশে পাশে, হাজির বাজার , চওড়ার হাট, দালাল হাট, চর মর্ণেয়াসহ আশে পশের গ্রামগুলিতে মাদকের দেখা মেলে খুব সহজেই। আর এই মাদক সেবন কারির বেশির ভাগ সেবন কারির সংখ্যা উঠতি বয়সের যুবকরা যাদের বয়স ১৭ থেকে ২০ বছর। এখানকার সাধারণ মানুষ এবং অভিভাবকগণ মনে করেন যে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে আমাদের উঠতি বয়সের সন্তানদের ভবিষৎ অন্ধকারের দিকে ধাপিত হচ্ছে। আমরা মাদককে বন্ধ করতে পারছিনা যদিও হারাগাছ মেট্রো থানা পুলিশ তাদের মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রেখেছে কিন্তু মাদক ব্যাবসায়ীরা অতিচালাকের কারণে তারা বার বার পার পেয়ে যাচ্ছেন বলে তারা সাংবাদিককে জানান। এক অভিভাবক জানান হারাগাছ এলাকায় এ্যামাজনে কাজ করে চলেছে উঠতি বয়সের যুবকরা এরা প্রতি মাসে একটি ছেলে অনলাইনে ইনকাম করেন ২ থেকে ৩ লক্ষটাকা সেই টাকা থেকে তারা মাদক সেবন করলেও তাদের অভিভাবকরা কিছুই বলার সাহস পাচ্ছেনা বলে জানা গেছে। এদিকে মাদক ব্যাবসায়ীরা অতি চালাক বলে সাহা আলম নামের একজন বলেন যাহারা মাদক ব্যাবসা করেন তাদের লোকজন প্রতিটি এলাকায় রয়েছেন যখন তারা হারাগাছ মেট্রো পুলিশকে দেখেন সঙ্গে সঙ্গে মাদক ব্যাবসায়ীদের ফোন করে তাদের সাবধান করে দেন, যে পুলিশ আসছে সাবধান । সেই কারণে পুলিশ প্রশাসন মাদক ব্যাবসায়ীদের ধরতে পারছেন না বলে জানা গেল। সারা বাংলাদেশে যখন মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত তখন হারাগাছ মেট্রো পুলিশ সামান্য অভিযান দেখালেও মাদক ব্যাবসা বন্ধ হচ্ছে না হারাগাছ মেট্রো থানা এলাকায় এই নিয়ে জনমনে দেখা দিয়েছে নানান মন্তব্য। এই নিয়ে কথা হয় কার্তিক এলাকার মোস্তফার সাথে নিতি বলেন মাদক এই এলাকাগুলিতে নতুন নয় এটি অনেক পুরনো কাহিনী মাদক শব্দটি অনেক আগে থেকেই এই এলাকাগুলিতে প্রবেশ করেছে যখন হারাগাছ মেট্রো থানা ছিলোনা । এখানে মেট্রো পুলিশ থাকা সত্বেও মাদক ব্যাবসীরা বুক ফুলিয়ে তাদের মাদক ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে এতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে এবং এই মাদক ব্যাবসায়ীসহ সকল সেবনকারিদের যদি নিয়ন্ত্রন করা না যায় তবে উঠতি বয়সের যুবকরা ধংসের দিকে চলে যাবে তাই সাধারণ মানুষের দাবি এই এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান যেন অব্যাহত থাকে সেই সাথে রংপুর মেট্রো পুলিশ কমিশনারের হস্তক্ষেপ ও সু দৃষ্টি কামনা করেন, এবং মাদক র্নিমুল করে হারাগাছ মেট্রো থানাকে মাদক মুক্ত দেখতে চায়, হারাগাছ মেট্রো থানাধীন এলাকার সাধারণ মানুষ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT