1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের দাবী । উচ্চ বেতনে চাকরির নামে ১৭ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ। পিবিআই খুলনার অভিযানে প্র*তারক চক্রের -১ সদস্য গ্রেফতার। কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ, থানায় লিখিত অভিযোগ। উন্নয়নের নাগরিক অঙ্গীকার ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে সাদীপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে মেয়র প্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ। তালায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবন মান উন্নয়নে ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্ক্রিল প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত । জুরাছড়িতে  লেপ্রসি মিশন কর্তৃক কর্মশালা অনুষ্ঠিত । কেশবপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে বম জনগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্তির দাবিতে। কেশবপুরে প্রশাসনের আয়োজনে ঈদ-ই- মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন।

বিদ্যালয়ের শ্রেনী কক্ষে চলছে প্রধান শিক্ষকের কোচিং বাণিজ্য।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩১৬ বার পঠিত

মোঃ আব্দুর রাজ্জাক রাজা নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি ঃ

প্রধান শিক্ষক এবং সহকারি প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে স্কুল ভবনেই চলছে রমরমা কোচিং বাণিজ্য। সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে এই কোচিং বাণিজ্য চলছে টাঙ্গাইলের নাগরপুর শহীদ শামসুল হক পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে। বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এর সত্যতা পাওয়া গেছে স্কুল ভবনগুলো ঘুরে। করোনাকালিন স্কুল বন্ধ থাকায় আর শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার জন্য এই প্রাইভেট পড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন তারা। জানা যায়, ১৯৭১ স্থালে স্থাপিত হয় নাগরপুর শহীদ শামসুল হক পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবকের অভিযোগ, শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার দাবিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেতাব আলী ও সহকারি প্রধান শিক্ষক জুলহাস উদ্দিন শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের লোভ দেখিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ চালাচ্ছেন এই কোচিং বাণিজ্য। ভালো ফলাফলের আসায় বাধ্য হয়েই ওই কোচিং সেন্টারে পাঠাতে হচ্ছে তাদের শিক্ষার্থীদের। কমপক্ষে স্কুলের শতাধিক ছাত্রী ও বহিরাগত ছাত্র পড়ছে ওই কোচিং সেন্টারে। বেতনও নেয়া ছাত্রী প্রতি পাঁচশ টাকা। তবে স্কুল ভবনে কিভাবে প্রধান শিক্ষক আর সহকারি প্রধান শিক্ষক এই কোচিং বাণিজ্য চালাচ্ছেন এ নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ তারা।

সরেজমিন বিদ্যালয় ভবনের নিচতলার তিনটি কক্ষে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পড়াতে দেখা গেছে। একটি কক্ষে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর মোট ১৩জন শিক্ষার্থীকে পড়াচ্ছেন প্রধান শিক্ষক কেতাব আলী। ষষ্ঠ শ্রেণীর গণিত আর সপ্তম শ্রেণীর ১৪জন শিক্ষার্থীকে ইংরেজি পড়াচ্ছেন সহকারি প্রধান শিক্ষক জুলহাস উদ্দিন আর অস্টম শ্রেণীর ১১জন শিক্ষার্থীকে ইংরেজি পড়াচ্ছেন বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম।

স্কুল ভবনে প্রাইভেট পড়ানোটা ভ‚ল হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন নাগরপুর শামসুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কেতাব আলী।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার লায়লা খানমের সাথে মুঠো ফোনে কোচিং বানিজ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

নাগরপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মনিরুজ্জামান বলেন, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত জবাব চাইব, তাদের জবাব দেয়ার পর উর্ধতন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT