1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
তালায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবন মান উন্নয়নে ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্ক্রিল প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত । জুরাছড়িতে  লেপ্রসি মিশন কর্তৃক কর্মশালা অনুষ্ঠিত । কেশবপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে বম জনগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্তির দাবিতে। কেশবপুরে প্রশাসনের আয়োজনে ঈদ-ই- মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন। কালীগঞ্জে পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (সা.)’র জসনে জুলুস। কেশবপুরে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। খুলনায় গুলিবিদ্ধের ঘটনায় অস্ত্র-গুলি উদ্ধার, আটক -১। কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ২ ডাকাত গ্রেফাতার করছে।

ছোট্ট ‘জীবনের’ চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন রংপুরের এসপি বিপ্লব কুমার সরকার।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১
  • ২১৭ বার পঠিত

 

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
সারাদিন হাসি-দুষ্টুমিতে পাড়া মাতিয়ে রাখা ১০ বছরের ছোট্ট মাহমুদুল হাসান জীবন। হঠাৎ সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে ভেঙে যায় তার একটি হাত। জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার নির্ভত পল্লীতে দরিদ্র বাবা রাজমিস্ত্রীর কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা করান স্থানীয় কবিরাজের কাছে। কিন্ত ভাল হওয়ার বদলে পচন শুরু হয় হাতে। সেই পচন এখন ছড়াতে শুরু করেছে শরীওে বিভিন্ন অন্দ্রে।দরিদ্র পিতার ছোট্ট সন্তানটির জীবনের চিকিৎসার পুরো দায়িত্ব নিয়েছে রংপুর জেলা পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকার। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের মানবিক এই কর্মকর্তা।
পুলিশ সুপার জানান,স্থানীয় কবিরাজের চিকিৎসায় ভাল না হওয়ায় স্থানীয় স্কুলের নৈশপ্রহরী তার দাদা বিভিন্ন লোকের কাছে হাত পেতে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করান। কিন্তু ততদিনে হাতে পচন ধরে গেছে। সেই পচন ছড়িয়ে যাচ্ছে পুরো শরিরে।কিছুদিন চিকিৎসা করানোর পর একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করানো হয়। কিন্তু চিকিৎসার খরচ জোগাতে না পেরে একসময় চিকিৎসা শেষ না করেই বাড়িতে নিয়ে যায় জীবনকে ।
এ ঘটনা জানতে পেরে তাদের ডেকে পাঠান জেলা পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকার, বিপিএম (বার), পিপিএম। জীবন ও তার দাদার কাছে বিস্তারিত শুনে দ্রæত উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন।এ সময় জীবনের চিকিৎসার সকল দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। এসময় তিনি ছোট্ট জীবনের মাথায় হাত বুলিয়ে তাকে সাহস দেন। স্নেহ ও ভালােবাসায় সে আবারও উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠে, নতুন করে বাচার স্বপ্ন দেখে। এই আন্তরিকতা আর ভালোবাসা দেখে জীবনের দাদু আনন্দে কেদে ফেলেন। এসময় জীবন ও তার দাদুর আনন্দ দেখে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সকলেই আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT