1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগর ও কয়রার যাতায়াতের গোবরা হার্বোরিং ঘাট এর হস্তান্তর অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ এ আই টেকনিশিয়ান কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে যশোরে কর্মবিরতি। কেশবপুরে সদ্য খনন করা নদীর পাড় ধসে পড়ায় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ। টানা বর্ষণে ফারুয়া ইউনিয়ন প্লাবিত। কেশবপুরে থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত দুই নারীসহ ১১ আসামি গ্রেফতার। বিলাইছড়িতে  টানা বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় প্রশাসনের মাইকিং । কেশবপুর-বড়েঙ্গা-ভেরচি-ভরত ভায়না সড়কটি দ্রুত সংস্কারেরর দাবী। গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম। শ্যামনগরে লিডার্সের উদ্যোগে কৃষকের মাঝে লবণ, খরা ও বন্যা সহিষ্ণু ধান বীজ ও সার বিতরণ। কেশবপুরে ভারী বৃষ্টিতে সরকারি দপ্তরের প্রবেশপথ তলিয়ে, দুর্ভোগে পথচারীরা।

চৌহাট্রায় রেকারের ধাক্কায় প্রাইভেট কার ক্ষতিগ্রস্থ, চালকের লাইসেন্স নেই।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২১১ বার পঠিত

এম এ রশীদ সিলেট বিশেষ প্রতিনিধি:

সিলেট মেট্রোপলিটন ট্রাফিকপুলিশ নগরীর যানজট নিরসনে ও ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করছে। দুর্ঘটনা প্রতিরােধে প্রতিদিন নানা টিমে বিভক্ত হয়ে চেকপােস্ট বসিয়ে অবৈধ যানবাহন রেকার করছে। অথচ খোদ এই রেকার চালকের লাইসেন্স বা বৈধ কাগজপত্র নেই। যার ফলে রেকার চালকরা নানা দুর্ঘটনার জন্ম দিচ্ছেন।
বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর চৌহাট্রা শহীদ শাসসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের সম্মুখে ভয়াবহ এক দুর্ঘটনার জন্ম দেন একজন রেকার চালক। পিছন দিক থেকে একটি প্রাইভেট কারকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে দুমড়ে মুচড়ে দেন। প্রাইভেট কারের পিছনের সিটে তিনজন শিশু বসা ছিলো অল্পের জন্য তারা প্রাণে বেঁচে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারটি (ঢাকা মেট্রো-গ ১৫-৪১০২) ড্রাইভ করছিলেন একজন নারী চিকিৎসক। তিনি শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে বাচ্চাদের নিয়ে ফিরছিলেন। হঠাৎ চলন্ত কারের পিছন দিকে একটি রেকার (ঢাকা ই ৫৩৩) দ্রুত গতিতে এসে সজোরে ধাক্কা দেয় এতে প্রাইভেট কারের পিছনের গ্লাস চুর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে দুমড়ে মুচড়ে যায়।
রেকার চালকের সাথে এই প্রতিবেদকের কথা হয়। রেকার চালক তার নাম সামুন মিয়া বলে জানান। এসময় তার ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখতে চাইলে তিনি জানান তার কোন লাইসেন্স নেই।

স্থানীয় জনতা রেকার চালককে আটকে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে রেকার চালককে উদ্ধার করে।

বিষয়টি নিয়ে সিলেট ট্রাফিকের উপ-পুলিশ কমিশনার ফয়সল মাহমুদ -এর সাথে মোবাইলে কথা বললে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে জানান, ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া রেকার চালাবে এটা কোন অবস্থায় গ্রহন যোগ্য এবং যুক্তিসঙ্গত নয়। আমি বিষয়টির খোজ নিচ্ছি।

এদিকে অন্য একটি সূত্র জানায় সিলেট মেট্রোপলিটন ট্রাফিক পুলিশের চুক্তিভিত্তিক দুই রেকার ( ট্রাক) ( নং ঢাকা ই ৫৩৩) ও ( চট্রগ্রাম ই ৫৮৯) রেজিস্ট্রেশন নাম্বার থাকলেও কয়েক বছর আগে থেকে এই রেকার গুলোর কাগজপত্র ফেল রয়েছে।
পর্যবেক্ষক মহল বলছেন সিলেট মেট্রোপলিটন ট্রাফিকপুলিশকে খুজে দেখতে হবে ‘সর্ষের মধ্যে ভূত আছে কি না’, তা না হলে তাদের সকল ভালো কাজ বির্তকিত হয়ে যাবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT